দেড় বছর আগে স্ত্রীকে হত্যার মামলায় মঙ্গলবার সকালে রায় ঘোষণা করেছে বাগেরহাটের একটি আদালত। রায়ে স্বামী হাবী সরদারকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান। ওই সময় আসামি কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
নিহত হাসিনা বেগম মংলার রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) একটি কারখানার শ্রমিক ছিলেন।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০০ সালের বাগেরহাটের মংলার বুড়িরডাঙ্গা গ্রামের মো. তোরাব আলী মোল্লার মেয়ে হাসিনা বেগমের সঙ্গে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার গোলা বেলাই গ্রামের জহির সরদারের ছেলে হাবী সরদারের বিয়ে হয়।
বিয়ের পর তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে প্রায় তাদের ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকত বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
মামলায় আরও বলা হয়, ২০১৪ সালের ২১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পারিবারিক কলহের জের ধরে হাবী সরদার (৩৫) স্ত্রী হাসিনা বেগমকে কুপিয়ে ও শশ্বাস রোধে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
বাগেরহাট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ওইদিন পুলিশ খুলনা থেকে হাবীকে আটক করে।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. শামসুল মোল্লা বাদী হয়ে হাবী সরদারকে আসামি করে রামপাল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন বলে জানান তিনি। বলেন, “হাবি হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।”
তিনি আরো জানান, রামপাল থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) ঠাকুর দাস মণ্ডল ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর হাবী সরদারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।
আসামিপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আবু জাফর মল্লিক।


