এবারে না পারলেও সামনের শুকনো মৌসুমে ঢাকায় পানির সমস্যা থাকবে না। আরেক বছর সময় পেলে ঢাকার জলাবদ্ধতাও একেবারে দূর করা হবে। বলেছেন- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
বুধবার আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে এক সভা শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক ও দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে পানি নিয়ে বিপর্যয়ের মুখে আছেন। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পানির জোগান দিতে পারছেন না। বিভিন্ন এলাকায় থেকে আবার ময়লা পানি সরবরাহের অভিযোগ আসছে। পানির অভাব আছে। শুকনো মৌসুমে এ অভাব দেখা যায়। বর্ষায় আবার অতিরিক্ত পানি। এ সমস্যা চলতে দেওয়া যায় না। আগামী বর্ষায় যাতে জলাবদ্ধতা না হয়, সে জন্য কতগুলো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতবারের মতো যাতে জলাবদ্ধতা দেখতে না হয়, এ জন্য ৩০ মের পর থেকে প্রস্তুত থাকতে হবে। এক বছর সময় পেলে ঢাকার জলাবদ্ধতা দূর করা হবে। সামনের বছর ইনশা আল্লাহ ঢাকায় জলাবদ্ধতা থাকবে না।
মন্ত্রী আরও বলেন, কারও বাড়িতে পানি না থাকলে সে পানি দেওয়ার দায়িত্ব ওয়াসার। কিন্তু কিছু অসাধু চক্র পানির জার বিক্রি করছে। তা বন্ধ করা হয়েছে।
মোশাররফ হোসেন বলেন, পানির জন্য প্রতিটি এলাকায় সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। কী করলে সমাধান হবে, তা-ও চিহ্নিত করা হয়েছে। এখন কাজ শুরু হয়েছে। এবার না পারলে সামনের মৌসুমে এ সমস্যা থাকবে না।
সারা দেশের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বিপৎসীমার নিচে চলে গেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এই পানির ব্যবহার বেশি করা হয়ে গেছে। যে কারণে বিপৎসীমার নিচে চলে গেছে। এখন পরিকল্পনা করা হয়েছে, ৭০ ভাগ পানি উপরিভাগের উৎস (সারফেস) থেকে আর বাকি ৩০ ভাগ মাটির নিচ থেকে নেওয়া হবে, যা এত দিন উল্টো ছিল।


