যেসব পেট্রলপাম্প বিপণন কোম্পানির কাছ থেকে তেল না নেবে কিংবা কম নেবে, সেগুলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে সরকার। এ ছাড়া জ্বালানি তেলে ভেজাল মেশানো ও ভেজাল দেওয়া জ্বালানি তেল বিক্রির বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম আগামী সপ্তাহে কমতে পারে।
মন্ত্রণালয়ের সূত্র থেকে জানা গেছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর বিষয়ে যে সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছিল, সেটি অপূর্ণাঙ্গ ছিল। তাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সে বিষয়ে আবার তথ্য চাওয়া হয়েছে। আজ সেই তথ্য পাঠানো হয়েছে। এর ওপর ভিত্তি করে তেলের দাম কমানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন এলে গেজেট জারি করা হবে।
গত সপ্তাহে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ১০ দিনের মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর কথা বলেছিলেন। সে হিসেবে আজ-কালের মধ্যেই দাম কমার কথা। সে কারণে কয়েক দিন ধরে দেশের প্রায় সর্বত্র পেট্রলপাম্পগুলো বিপণন কোম্পানির কাছ থেকে জ্বালানি তেল কম নিচ্ছে। এ কারণে কোথাও কোথাও গ্রাহক প্রয়োজনীয় তেল পাচ্ছেন না। আবার বিপণন কোম্পানিগুলোর তেল বিপণনও বিঘ্নিত হচ্ছে।
আজকের সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী পেট্রলপাম্পগুলোর তেল কম নেওয়া বা ক্ষেত্রবিশেষে একেবারে না নেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, এর ফলে জ্বালানি তেলের সার্বিক সরবরাহ বিঘ্নিত হতে পারে।


