বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

রাজনৈতিক রিপোর্ট দিবেন না: আওয়ামী লীগ

hasan-mahmud (1)মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ কিছু দেশ, কিছু ভাড়াটিয়া সংগঠন, তাদের অনুরোধ করবো, আয়নায় নিজেদের চেহারা আগে দেখুন। নিজেদের মানবাধিকার নিয়ে কথা বলুন, তারপর অন্যদেশ নিয়ে রিপোর্ট দিন। কারণ বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র, নরওয়ের মতো স্কুল শুটিং করে শিক্ষার্থী হত্যা করা হয় না।

তিনি বলেন, নিজেদের দেশের রিপোর্ট প্রকাশ করুন। আর রাজনীতির জন্য মানুষ পুড়িয়ে মারা মানবাধিকার লংঘন না? রিপোর্টে সেটি বলেন না কেন? দয়া করে, রাজনৈতিক রিপোর্ট দিবেন না।

শুক্রবার দুপুরে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের (একাংশ) মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, চীন যখন অর্থনৈতিক নেতৃত্ব অর্জন করেছে তখন তার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগ আনা হচ্ছে। তেমনি বাংলাদেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে। গতকালও যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিবেদনে আমাদের দেশের মানবাধিকার নিয়ে সমালোচনা করেছে।

যে দেশগুলো আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেছিল, তারাই এখন আমাদের অবদমিত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে।

বিএনপির সমালোচনা করে হাছান মাহমুদ বলেন, ভেবেছিলাম ইউপি নির্বাচনে লজ্জার দায়ভার নিয়ে বেগম জিয়া পদত্যাগ করবেন। কিন্তু ভরাডুবির পরও তিনি নির্বাচনে আছেন, কারণ বুঝেছেন ৫ জানুয়ারির নির্বাচন না করে তিনি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।

“জিয়াকে ধরে এনে” স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করানো হয়েছিল উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, “৯১ এ ক্ষমতায় এসে বিএনপি সে রেকর্ডিং বাজার থেকে সরিয়ে ফেলেছিল”।

তিনি বলেন, অনেকে মুক্তিযুদ্ধের কথা বলেন, কিন্তু মুজিবনগর সরকারের কথা বলেন না। অনেকে জয় বাংলা বলতে লজ্জা পেতেন, কিন্তু এখন বলা শুরু করেছেন। তারা জয় বঙ্গবন্ধু বলেন না, সামনে তাও বলবেন।

পহেলা বৈশাখে সরকারের কড়াকড়ির বিষয়ে তিনি বলেন, যারা এসব নিয়ে সমালোচনা করেন, তারা আগে নিজের দায়দায়িত্ব ভাবুন। কারণ সরকারকে নিরাপত্তা দিতে হয়।

“পহেলা বৈশাখের যারা সমালোচনা করেন তাদের চেতনার দৈন্যতা রয়েছে, তারা মৌলবাদি চেতনায় দূষিত” বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি চিত্রনায়ক ফারুক।

আরও পড়ুন