বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে যাচ্ছেন খালেদা

khaleda-zia_10132জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে আজ বিশেষ আদালতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। রোববার সকালে আদালতে হাজির হতে গুলশানের বাসভবন থেকে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তার।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলা দু’টির বিচারিক কার্যক্রম চলছে রাজধানীর বকশিবাজারে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের অস্থায়ী আদালতে।

এদিকে খালেদা জিয়ার আদালতে হাজিরা উপলক্ষ্যে আদালতপাড়া ও আশাপাশের এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয়েছে। পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৭ এপ্রিল আদালতে হাজির হওয়ার কথা ছিল খালেদা জিয়ার। ওই দিন আদালতে হাজির হননি তিনি। পরে তার আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ এপ্রিল আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন আদালত।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি।

জমির মালিককে দেয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর-রশিদ।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌনিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

আরও পড়ুন