সজীব ওয়াজেদ জয়কে হত্যা ষড়যন্ত্রে সাংবাদিক শফিক রেহমান ছাড়াও আরেকটি পত্রিকার সম্পাদক জড়িত বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।
রাজধানীর ধানমন্ডি বিলিয়া মিলনায়তনে রোববার মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি শফিক রেহমানের গ্রেফতারের বিষয়ে কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কয়েকজন বিদেশীকে হত্যার পরও পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে না পেরে মহল বিশেষ এখন আইএস এর অস্তিত্ব প্রচার করছে।
প্রধানমন্ত্রীপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে শুক্রবার দিবাগত ইস্কাটন গার্ডেন রোডের বাসা থেকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সজীব ওয়াজেদ জয়কে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পেয়েই শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হয়।
২০১৫ সালের আগস্টে ডিবি ইন্সপেক্টর ফজলুর রহমান বাদী হয়ে পল্টন থানায় একটি মামলা করেন। এতে অভিযোগ করা হয়, প্রধানমন্ত্রীপুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়কে যুক্তরাষ্ট্রে অপহরণের পর হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছে। দেশে এবং দেশের বাইরে তার জীবননাশসহ বড় ধরনের ক্ষতি করতে বিএনপির হাইকমান্ড দেশ ও দেশের বাইরে অর্থায়ন করছে।
হত্যা ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ওই মামলায় সুনির্দিষ্টভাবে কাউকে আসামী করা না হলেও বিএনপির নেতৃত্বে জোটভুক্ত, দেশে বিদেশে অবস্থানরত উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের অভিযুক্ত করা হয়। ওই মামলার তদন্ত করছিলো ডিবি।
মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা ডিবির উপকমিশনার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ জানান, দীর্ঘসময় তদন্ত করে তারা মোটামুটি নিশ্চিত হয়েছেন যে শফিক রেহমান দেশের বাইরে গিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং তাদের অর্থায়নে সাহায্য করেছেন। এর পেছনে আর কোনো কেউ জড়িত আছে কিনা তা জানার জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করবে ডিবি।
শফিক রেহমানের গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অবিলম্বে মুক্তি না দিলে কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।


