টাঙ্গাইলের গোপালপুরে দর্জি নিখিল চন্দ্র জোয়ার্দারকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আইএসের দায় স্বীকার বিষয়ে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) আসলাম খান বলেছেন, বাংলাদেশে আইএসের কোনো অস্তিত্ব নেই। পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার কাছে এখন পর্যন্ত আইএসের অস্তিত্ব সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই।
শনিবার সাংবাদিকদের কাছে আসলাম খান বলেন, দুই জামায়াত নেতা ও এক বিএনপিকর্মীকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করেছে গোপালপুর থানা পুলিশ। রোববার ভোরে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা থেকে আলমনগর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আমিনুল ইসলাম, গোপালপুর উপজেলার জামায়াতের সেক্রেটারি বাদশা ও বিএনপি কর্মী ঝন্টুকে আটক করা হয়।
রোববার ভোরে তাদের আটক করা হয়েছে। এর আগে গত রাতে গোপালপুর থানায় নিহত নিখিলের স্ত্রী আরতি জোয়ার্দার বাদী হয়ে অজ্ঞাত তিনজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা ও পুলিশ বাদী অস্ত্র আইনে আরও একটি মামলা দায়ের করেন। আটককৃতদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম ২০১২ সালে নিখিলের বিরুদ্ধে করা ধর্ম অবমাননা মামলার বাদী ছিলেন। এদিকে আজ ভোরে তিনজনকে আটক করার পর তাদের টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। সেখানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
উল্লেখ্য, শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ডুবাইল বাজারে স্থানীয় গজ কাপড় ব্যবসায়ী ও দর্জি নিখিল চন্দ্র জোয়ার্দার (৫০) কে মোটরসাইকেলে করে আসা অজ্ঞাত তিন যুবক কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। নিখিল ২০১২ সালে মহানবি হযরত মোহাম্মদ (স.) কে নিয়ে কটূক্তি করায় স্থানীয়দের রোষানলে পড়েছিল। পরে তার বিরুদ্ধে আমিনুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি ধর্ম অবমাননার মামলা করলে ১ মাস ২৪ দিন জেলও খাটে নিখিল। পরে ওই মামলায় সে জামিনে বের হয়ে আসলে গত ৬ মাস আগে মামলা তুলে নেওয়া হয়।


