আঙুলের ছাপে (বায়োমেট্রিক পদ্ধতি) সিম নিবন্ধন অপরাধী শনাক্তের ক্ষেত্রে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করবে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। বহু প্রোপাগান্ডার মধ্যেও মন্ত্রণালয়, বিটিআরসি ও মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন কার্যক্রম সফল হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রশ্নোত্তর পর্বে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লার প্রশ্নের জবাবে সোমবার প্রতিমন্ত্রী বলেন, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের আগে সঠিকভাবে গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার কার্যকর কোনও ব্যবস্থা ছিল না। পরীক্ষামূলকভাবে নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে, দেশের অধিকাংশ গ্রাহকের পরিচিতি ভুয়া। একটি পরিচয়ের বিপরীতে ৬০ হাজার নিবন্ধিত সিমের তথ্য পাওয়া গেছে। এর ফলে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, নারীদের উত্যক্ত করা, মাদক ব্যবসা, মানব পাচার, অবৈধ ভিওআইপি করা সম্ভব হচ্ছিল।
এ অবস্থায় মোবাইল ফোনের আওতায় সংগঠিত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা কঠিন। বর্তমানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে গ্রাহক সিমের মালিকানা স্বীকার করছেন এবং জাতীয় তথ্যভাণ্ডারে রাখা ব্যক্তির পরিচয়ের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করা সম্ভব হচ্ছে। তাই এটি অপরাধ ও অপরাধীদের শনাক্ত করতেও সাহায্য করবে।
তিনি জানান, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের মাধ্যমে গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করা হচ্ছে না। এমনকি নতুন করে তথ্য সংগ্রহও করা হচ্ছে না। তথ্য কেবল জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। এটি একটি বাইনারি (দুই ভাগে বিভক্ত) কোড, যা ইমপ্লান্ট করা যায় না। এর ফলে একটি জাতীয় পরিচয়ের বিপরীতে হাজার হাজার সিম নিবন্ধনের অনিয়ম বন্ধ হবে।


