গত ১২ মে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে নিজেকে দল থেকে সরিয়ে নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি।
কারো প্রতি কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া কিংবা কোনো রকম অভিযোগ ছাড়াই দলের তিনটি পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন এ চলচ্চিত্র অভিনেতা।
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার, অ্যাডভাইজার অব দ্য প্রেসিডেন্ট অব ইলেকশন এফেয়ার্স ও কনভেনার অব দ্য সেন্ট্রাল কমিটি অব জাতীয় কালচারাল পার্টি- এই তিনটি পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে চেয়ারম্যান বরাবর ১২ মে পদত্যাগপত্র পাঠান সোহেল রানা।
পদত্যাগপত্র পাঠানোর আগে চেয়ারম্যানের মুঠোফোনে এ সংক্রান্ত তিনটি এসএমএসও পাঠিয়েছেন সোহেল রানা, যা নিজের মোবাইলে সংরক্ষিত রেখেছেন।
এ প্রসঙ্গে সোহেল বলেন, ‘কারো প্রতি কোনো রকম বিরূপ প্রতিক্রিয়া কিংবা কোনো রকম অভিযোগ ছাড়াই আমি দলের তিনটি পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছি। চেয়ারম্যান আমাকে সব সময়ই সমাদর করতেন, ভালোবাসতেন। আমার বিশ্বাস দল থেকে সরে এলেও এর ব্যত্যয় ঘটবে না।’
তবে সোহেল রানার পদত্যাগপত্রের প্রত্যুত্তরে এখনও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান কিছুই জানাননি। কিছুদিন বিশ্রাম শেষে মাসুদ পারভেজ আবারও চলচ্চিত্রের প্রতি মনোনিবেশ করবেন বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, সোহেল রানা পরিচালিত সর্বশেষ চলচ্চিত্র হচ্ছে ‘রিটার্ন টিকেট’। তার অভিনীত মুক্তি প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র হচ্ছে কাজী রোজীর কবিতা অবলম্বনে শহীদুল হক খান পরিচালিত ‘আমার পিরানের কোন মাপ নাই’ এবং অপূর্ব রানার ‘ইন্নোসেন্ট লাভ’।


