টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করেছেন আদালত। সেই সঙ্গে আসামিদের সকল অস্থাবর মালামাল ক্রোকের পরোয়ানাও জারি করেন আদালত।
সোমবার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম কিবরিয়া এ আদেশ দেন।
অন্য আসামিরা হলেন- রানার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা, সাংসদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী কবির হোসেন, দারোয়ান বাবু ওরফে দাঁত ভাঙা বাবু, যুবলীগের তৎকালীন নেতা আলমগীর হোসেন চাঁন, নাসির উদ্দিন নুর, ছানোয়ার হোসেন ও সাবেক কমিশনার মাসুদুর রহমান।
এর আগে ৬ এপ্রিল বুধবার দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত টাঙ্গাইল সদরের বিচারক মো. আমিনুল ইসলাম শুনানি শেষে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে ১০ জনের বিরুদ্ধে এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আসামিরা হাজির না হওয়ায় আদালত এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে আসামিদের আগামী ১৬ জুনের মধ্যে আদালতে হাজিরেরও নির্দেশ দিয়েছেন।
টাঙ্গাইল কোর্ট ইন্সপেক্টর আনোয়ারুল ইসলাম মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পলাতক ১০ জন আসামিদের মধ্যে ৯ জনের মালামাল ক্রোকের আদেশ টাঙ্গাইল থানায় ও বাকি একজনের আদেশ কালিহাতী থানায় পাঠানো হবে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল থানার ওসি নাজমুল হক ভূইয়া জানান, আসামিদের মালামাল বাজেয়াপ্তের আদেশ হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমার কাছে আদেশপত্র আসেনি।


