বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

আইপিএল ভারতে: কোটি টাকার জুয়া চলছে বাংলাদেশে

IPL-News-ভারতের টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ-আইপিএলকে কেন্দ্র করে ঢাকাসহ সারা দেশে বসছে জুয়ার আসর। ফাইভ স্টার হোটেল, রেস্টুরেন্ট থেকে শুরু করে পাড়ার চায়ের দোকান ও খেলার মাঠে হচ্ছে জুয়া। দুই তিন বছর ধরে চলে আসা এই আইপিএল জুয়ার বড় বড় আসরগুলোতে খেলতে এখন বড় অঙ্কের টাকায় অগ্রিম অ্যাকাউন্টও খুলতে হচ্ছে। যোগাযোগ হচ্ছে মোবাইল ফোনে, লেনদেন হচ্ছে বিকাশে। ফলে ঢাকায় বসে রাজশাহী বা চট্টগ্রামের বড় কোনো আসরে অবলীলায় অংশ নিচ্ছে জুয়াড়িরা। তবে পাড়ার অলিগলিতে স্ক্রিন লাগিয়ে ও টিভিতে টাকা হাতবদল হচ্ছে সরাসরিই। প্রতিটি ম্যাচের প্রত্যেক বলে চলছে এসব জুয়া।

এখন আইপিএল জুয়াকেই পেশা হিসেবে নিয়েছে কেউ কেউ। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বাদ দিয়ে মেতেছে আইপিএল জুয়ায়। স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, চিকিৎসকসহ নানা পেশার মানুষও মেতেছে এসব জুয়া খেলায়। প্রতিদিন লেনদেন হচ্ছে ২০ কোটি টাকারও বেশি। জুয়ার টাকা দিতে না পারায় ঘটেছে আত্মহত্যার কমপক্ষে তিনটি ঘটনাও। টাকার অভাবে কেউ কেউ দামি মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ,  মোটরসাইকেল, স্ত্রীর সোনার গহনাসহ নানা দামি জিনিসপত্র বন্ধক রাখছে। আর সুদের ব্যবসায়ীরাও থাকছেন জুয়ার বোর্ডের পাশেই।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিন সন্ধ্যায় টিভির পর্দার সামনে খেলার দর্শকের মধ্যে যে ভিড় দেখা যায়, এর প্রতিটিই ছোটখাটো জুয়ার আসর। টিভি মানেই একটি জুয়ার বোর্ড। ম্যাচে জয়-পরাজয়, এক ওভারে কত রান, এক বলে কী হবে, কোন খেলোয়াড় কেমন খেলবে এমন সব কিছুর ওপরই হচ্ছে জুয়া। চায়ের দোকানের এসব ছোটখাটো আসরে পুরো ম্যাচের জয়-পরাজয়ের ক্ষেত্রে একেক ধরনের রেট থাকে। তবে সাধারণত ফেবারিট দলের পক্ষে দেড় হাজার ও অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলের পক্ষে এক হাজার টাকা ধরে খেলার প্রচলনই বেশি। মাঝারি মাপের জুয়ায় ১০ হাজার ও ১৫ হাজার টাকা হয় রেট। বড় আসরে বলই শুরু হয় পাঁচশ টাকা থেকে। সেখানে অ্যাকাউন্টধারীরাই শুধু খেলার সুযোগ পান।

হার-জিতে জুয়াড়িরা লাভ পেলেও মূল লাভ পায় আসর প্রতিষ্ঠাতা অর্থাৎ টিভির মালিক বা স্ক্রিনের মালিক। ডাকপ্রতি পাঁচ থেকে ১০ শতাংশ টাকা থাকে  যে আসর বসায় তার জন্য নির্ধারিত। এর বাইরে জুয়াড়িদের দুই পক্ষের দুই ডাকের বাইরের যে কোনো ঘটনার জন্য পুরো টাকা যায় আসর মালিকের কাছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামে আইপিএল ম্যাচকে ঘিরে নগরীর বাকলিয়া, ডিসি রোড, চকবাজার, খাতুনগঞ্জ-চাক্তাই, বহদ্দারহাট, আগ্রাবাদ, জিইসি মোড়, সদরঘাটসহ বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত জুয়ার আসর বসছে। এখানে বাকলিয়া আহমুদ্যা কলোনি এলাকায় আইপিএলের জুয়ার টাকা জোগাড় করতে না পেরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে রশি বেঁধে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন  মো. রাসেল (২২) নামে এক যুবক। জুয়া নিয়ে বাজিকরদের মধ্যে প্রতিদিন ঘটছে হাতাহাতি, মারামারি। ১৫-২০ বছর বয়সী কিশোর-যুবকরা ক্রিকেট জুয়ায় মেতে উঠছে। বেশি হচ্ছে  মোবাইলের মাধ্যমে খুদে বার্তা দিয়ে।

রাজশাহী শহরের বিভিন্ন স্থানে সব মিলিয়ে ১০টি পয়েন্টে এবং জেলার বিভিন্ন থানায় ৩৫  থেকে ৪০টি পয়েন্টে আইপিএলকে কেন্দ্র করে জুয়ার আসর বসছে। গত টি-২০ বিশ্বকাপেও এই আসর বসেছিল। আবার ২-৩ বছর ধরেই এসব জুয়ার আসর বসছে। টাকা হেরে অনেকে নিজের সহায়-সম্বল হারিয়ে পথে বসছেন। গত বছর আইপিএলের সময় জুয়ায় এক রাতে ২০ লাখ টাকা হেরে ওই রাতেই কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছেন নগরীর হাজী ভবন নামের মেসের এক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।

ভয়াবহ পরিস্থিতি যশোরে:
ভারতে অনুষ্ঠিত ক্রিকেটের টি-২০ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল) নিয়ে জুয়ায় মেতেছে যশোর। প্রতিদিন শতকোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে এ শহরে, যার বড় অংশ পাচার হয়ে যাচ্ছে ভারতে। জুয়া খেলতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন যশোর শহরে। বেট৩৬৫ ডটকমসহ কয়েকটি ক্রিকেট জুয়ার সাইটের মাধ্যমে চলা এ জুয়ার সঙ্গে যশোর ও ভারতের কয়েকজন জুয়াড়ি সরাসরি জড়িত। তারা হুন্ডি ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে প্রতিদিন যশোর থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ভারতে পাচার করছেন। বাংলাদেশের তিনটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রাথমিক তদন্তে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, যশোরে আইপিএল নিয়ে এ ধরনের জুয়া খেলা এবারই প্রথম। এর সঙ্গে যশোর শহরের অন্তত ৬ জন জড়িত। এদের মধ্যে চারজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী এবং মাড়োয়াড়ি মন্দির সংলগ্ন পতিতালয়ের দু’জন সরদারণী রয়েছেন। চার স্বর্ণ ব্যবসায়ীর একজন কেবল (ডিস) ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত। কয়েকজন রাজনীতিবিদও পরোক্ষভাবে এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন।

গোয়েন্দা সংস্থার একাধিক কর্মকর্তা জানান, যশোরে দুই প্রক্রিয়ায় এ জুয়া চলছে। ধারণা করা হচ্ছে এর সঙ্গে বাংলাদেশ-ভারতের মাফিয়াদের সম্পর্ক রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে দেখা গেছে, যশোর শহরের সোনাপট্টির ৬ ব্যবসায়ী এ জুয়ার ডিলার। এদের পেছনে আছে ভারতীয় এজেন্ট। এসব এজেন্টের কয়েকজন বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বৈত নাগরিক। আইপিএল’র প্রতিটি খেলার আগে জুয়াড়িরা সরাসরি অথবা মোবাইলে ডিলারদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরীক্ষিত জুয়াড়িদের ‘রেফারেন্স’ অথবা কোড নম্বর ছাড়া নতুন জুয়াড়িদের কাছে তারা (ডিলার) ধরা দেননা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, কালো টাকার মালিকদের মধ্যে এই জুয়া খেলার আগ্রহ বেশি। খুলনা, সাতক্ষীরা, বেনাপোল, নওয়াপাড়া ও চৌগাছা থেকে জুয়াড়িরা আসছেন যশোর শহরে। এসব ভিনদেশি এজেন্ট, স্থানীয় ডিলার ও জুয়াড়িদের ধরতে গোয়েন্দা সংস্থার মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা কাজ করছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, এজেন্ট, ডিলার ও জুয়াড়িদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে। এদের বেশিরভাগই প্রভাবশালী। সমাজের দৃশ্যমান চোখে তারা ভদ্রলোক বলেই পরিচিত।

এ বিষয়ে পাওয়া প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে অপর একটি গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা বলেন, স্থানীয় ডিলারের সংখ্যা ৮ জনেরও বেশি। এসব ডিলারের কয়েকজনের কাছে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা কৌশলে জুয়াড়ি হতে চেয়ে ছিলেন। কিন্তু পারেননি। পরে তথ্যানুসন্ধান করে নিশ্চিত হওয়া গেছে, অন্য জুয়াড়ির লিখিত সংকেত কিংবা কোড নম্বর বলতে না পারলে তারা এমন ভাব দেখায় আইপিএল কি সেটাই তারা জানে না।

যশোর সোনাপট্টির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ডিলার বলেন, যশোরে ডিলারের সংখ্যা ৮-৯ জন। এদের বেশিরভাগই স্বর্ণ ব্যবসায়ী। এজেন্ট আছে ৫-৬ জন। এরা সবাই ভারতের নাগরিক। এদের নিকট আত্মীয়র এবং নিজস্ব বাড়ি রয়েছে বাংলাদেশে। ভারতেও অন্য ব্যবসার সঙ্গে তাদের রয়েছে স্বর্ণ ব্যবসা। ভারতীয় এসব এজেন্টদের সঙ্গে যশোরের স্থানীয় কয়েকজন এজেন্টও রয়েছেন।

তিনি স্থানীয় জুয়া সম্পর্কে বলেন, প্রতিদিনই হাতবদল হওয়া টাকার পরিমাণ সোয়া’শ থেকে দু’শ’ কোটি টাকা। জুয়াড়িদের কাছে রয়েছে আইপিএল’র প্রতিটি দলের ছবিসহ খেলোয়াড়ের তালিকা। প্রতিটি ম্যাচের আগে সাধ্যমত সেট কিনে নিয়ে যায় জুয়াড়িরা। সেট বলতে বল, ওভার অথবা ম্যাচের ফলাফল কি হবে তার অনুমান। যেমন- বলে আউট হতে পারে বা চার অথবা ছয় হতে পারে এ ধরনের অনুমান। ম্যাচে কোন দল জিতবে তা নিয়েও বাজি ধরা হয়। অনেকেই ডাবল-রিডাবল জুয়া বাজি ধরে। ধরা যাক একজন ১ হাজার টাকা বাজি ধরলেন, এর ডাবল ধরলে তা ২ হাজার টাকা হয়ে যাবে। আর রিডাবল ধরলে হবে ৪ হাজার টাকা।

তিনি আরও বলেন, বাজিকররা থার্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত কি আসতে পারে-তার উপরও বাজি ধরছেন। বেশ কয়েকজন বাজিকর যশোরের অভিজাত আবাসিক হোটেলে রুম নিয়ে খেলা দেখেন। তাদের একটি গ্রুপে ৫ থেকে ৬ জন থাকেন। তাদের একজনের নাস্তার বিলই হয় ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা।

জুয়া ও টাকা পাচারের বিষয়ে যশোরের পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জুয়ার বিষয়টি শুনেছেন স্বীকার করলেও কোন মন্তব্য করেননি। বিষয়টি নিয়ে তিনি জেলা পুলিশের মুখপাত্র সহকারী পুলিশ সুপার ভাস্কর দাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।

এরপর ভাস্কর দাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ ধরনের তথ্য জেলা পুলিশের কাছে আছে। পুলিশের নিজস্ব গোয়েন্দা শাখা ইতোমধ্যে এ জুয়ার বিষয় নিয়ে মাঠে নেমেছে। এছাড়া অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছ থেকে এ বিষয়ে তদন্তের জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

জেলা পুলিশের এই মুখপাত্র আরও বলেন, ‘তদন্ত কাজ বেশ এগিয়ে গেছে। এই চক্রের সঙ্গে মাফিয়া কানেকশন (যোগাযোগ) আছে-এটা আপাতত পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখন বিষয়টি নিয়ে বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়।’

আমদানি-রফতানিকারক, গার্মেন্টস মালিক, পরিবহন ব্যবসাসহ কয়েকটি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এমন একজন জুয়াড়ি বলেন, যশোরের দু’জন ডিলারের কাছ থেকে তিনি প্রতিদিন ৪টি সেট কেনেন। যে দিন আইপিএল’র দুটি খেলা হয়, সে দিন কেনা পড়ে ৮ সেট। প্রতি সেট ৫ লাখ টাকায় কেনেন। মাঝে মধ্যে দু’একটিতে রিডাবলও ধরেন। এ টাকা ডিলারদের নগদে পরিশোধ করতে হয়। এতে কেমন লাভ হয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, জুয়া মানে আসবে না হয় যাবে।

আন্তর্জাতিক চোরাচালারিদের সঙ্গে সখ্য আছে এমন অভিযোগ থাকা এ ব্যবসায়ী আরও বলেন, ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামসহ কয়েকটি অঞ্চলের কমপক্ষে ৫০ খেলোয়াড় (জুয়াড়ি) তাদের বিশ্বস্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে যশোরের ডিলারদের কাছ থেকে সেট কেনেন।

বড় বড় ব্যবসায়ীর সঙ্গে সারাদেশের ব্যবসায়ীদের যোগসূত্র থাকে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার মাধ্যমে চিটাগাং ও কক্সবাজারের ৯ খেলোয়াড় যশোর থেকে সেট কিনছেন।’

তিনি বলেন, এমন কয়েকজন আছেন, যারা ১ কোটি টাকার সেট কেনেন। আবার ৫-৬ জন মিলে একাধিক গ্রুপও রয়েছে। তারা ২-৩ কোটি টাকার সেটও কেনেন। সাধারণ মানুষ এমন তথ্য বিশ্বাস করবে না, আপনাকে পাগল বলবে- এটাই আমাদের প্লাস পয়েন্ট।

মাছ আমদানি-রফতানি ব্যবসায় জড়িত আর এক জুয়াড়ি বলেন, এটি একটি খেলার মতো। এ খেলার সঙ্গে অনেকে জড়িত। তবে এদের সঠিক কোনো সংখ্যা দেওয়া সম্ভব না। আর ‘জেন্টেলম্যান’ এ্যগ্রিমেন্ট হিসেবে কোনো ডিলারও এ তথ্য দেবে না।

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ধরুন আমার পাশের বাড়ির কেউ এর সঙ্গে জড়িত। আমি যে ডিলারের কাছ থেকে সেট কিনি, তিনিও ওই ডিলারের কাছ থেকে সেট কেনেন। কিন্তু ডিলার দু’জনের একজনের পরিচয়ও ফাঁস করবেন না। তবে আমার মাধ্যমে যারা সেট কেনে তাদের আমি চিনি।

এই ব্যবসায়ীর যশোর শহরের বড় বাজারে আড়ত রয়েছে। কক্সবাজারের বেনামে দু’টি আবাসিক হোটেলও আছে বলে জানান।

বিষয়টি নিয়ে যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘হতেও পারে। তবে আমার জানা নেই।’

জাসদের (ইনু) কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি রবিউল আলম বলেন, ‘অসম্ভব বলে আমার মনে হচ্ছে না। এই জুয়ার ধরনটা বেশ মজার। একটা ডিজিটাল আরেকটি অ্যানালগ।’

সরকারি আইনগত সহায়তা কমিটি ও ব্লাস্ট যশোরের প্যানেলভুক্ত আইনজীবী আব্দুর রহমান দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘এ বিষয় নিয়ে কয়েকজন মক্কেলের মধ্যে আলোচনা করতে শুনেছি।’

আরও পড়ুন