বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

৩ ভাই হত্যায় ১ জনের ফাঁসি, ২ জনের যাবজ্জীবন

Meherpurমেহেরপুরে তিন ভাই হত্যা মামলায় এক আসামিকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া এই মামলার আরো দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ ও অপরাধ প্রমাণ না হওয়ায় ২৯ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মেহেরপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক টি এম মুসা এই আদেশ দেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত হলেন, মিনহাজুল আবেদীন দুখু (৪৫)। তিনি মামলার প্রধান আসামি।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, আজিমুদ্দীন (৩৮) ও তোজাম্মেল ওরফে চেতন আলী (৫২)।

রায় ঘোষণার সময় চেতন আলী আদালতে উপস্থিত থাকলেও অপর দু’জন অনুপস্থিত ছিলেন। দণ্ডাদেশ পাওয়া মিনহাজুল আবেদীন দুখু ও আজিমুদ্দীন ঘটনার পর থেকে ভারতে পলাতক রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও মেহেরপুর জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (অতিরিক্ত পিপি) কাজী শহিদুল হক জানান, আলোচিত এ হত্যা মামলায় আদালত একজনকে ফাঁসি ও দুইজনের যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশ দিয়েছেন।

রায়ে প্রধান আসামির ফাঁসির আদেশ হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। তবে বেকসুর খালাস হওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলেও দ্য রিপোর্টকে জানান কাজী শহিদুল হক।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের বিরোধকে কেন্দ্র করে ২০০৮ সালের ৩০ আগস্ট রাতে গাংনী উপজেলার সীমান্তবর্তী ধলা গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ইমদাদুল হক এবং তার ভাই জাহিদুল ইসলাম ও রুহুল আমিনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। হত্যাকাণ্ডের পরদিন নিহত ইমদাদুল হকের স্ত্রী রেনুকা খাতুন বাদী হয়ে মিনহাজুল আবেদিন দুখুকে প্রধান আসামি করে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০/১৫ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই বছরের ৩০ নভেম্বর দুখুসহ ৩২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন গাংনী থানার মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা। মামলায় ৪০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন