বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

নিখোঁজ মিশরীয় বিমান গ্রিসের দ্বীপপুঞ্জে বিধ্বস্ত!

egyptairরাডারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া ইজিপ্টএয়ারের যাত্রীবাহী বিমানটি গ্রিসের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপপুঞ্জের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গ্রিসের এভিয়েশনের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি। ওই কর্মকর্তা জানান, প্লেনটি গ্রিক দ্বীপ কারপাথস থেকে ১৩০ নটিক্যাল মাইল দূরে বিধ্বস্ত হতে পারে।

এর আগে স্থানীয় সময় বুধবার রাত ১১টা ৯ মিনিটে রাডারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয় প্যারিস থেকে কায়রো অভিমুখী ইজিপ্টএয়ারের এমএস৮০৪ ফ্লাইটটির। প্লেনটিতে ক্রুসহ ৬৬ জন যাত্রী ছিলেন। ৫৬ জন যাত্রীদের মধ্যে মিশরের ৩০ জন, ফ্রান্সের ১৫ জন, ইরাকের দুজন, ব্রিটেন, কানাডা, বেলজিয়াম, কুয়েত, সৌদি আরব, আলজেরিয়া, চাঁদ ও পর্তুগালের মোট একজন করে যাত্রী ছিলেন।

এদিকে সম্ভাব্য বিধ্বস্তস্থলের আশপাশে প্লেনটির খোঁজে অভিযান চালাচ্ছে গ্রিসের কর্তৃপক্ষ। তবে রাডার থেকে নিখোঁজ হওয়ার আগে প্লেনটি কোনো বিপৎসংকেত বা সাহায্যের আবেদন জানায়নি বলে কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

বিমানটির অনুসন্ধান অভিযানে ফ্রান্স নৌকা ও বিমান পাঠিয়ে সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। কায়রোতে ফরাসী দূতাবাসে খোলা হয়েছে ক্রাইসিসি সেল। এ নিয়ে এক জরুরি বৈঠকে বসেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট।

বিমান কর্তৃপক্ষ বলছে, মিশরের আকাশসীমায় প্রবেশের আগমূহুর্তে এয়ারবাস এ৩২০ বিমানটি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বিমানটিতে তিনটি শিশুসহ ৫৬জন যাত্রী ছিলেন। এছাড়া সাত জন ক্রু ও তিনজন নিরাপত্তা কর্মী ছিলেন।

গ্রীস ও মিশরের সেনাবাহিনীকে বিমান অনুসন্ধান কার্যক্রমে অন্তুর্ভুক্ত করা হয়েছে। মিশরের প্রধানমন্ত্রী শেরিফ ইসমাইল নিখোঁজ বিমানের যাত্রীদের স্বজনদের সাথে কায়রো বিমানবন্দরে রয়েছেন। এমএস৮০৪ বিমানটি যখন পূর্ব ভূমধ্যসাগরের ৩৭হাজার ফুট ওপর দিয়ে যাচ্ছিলো। কর্মকর্তারা জানান কায়রো সময় ২টা ৪৫ মিনিটে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

বিমান কর্তৃপক্ষ বলছে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সময় ওই উড়োজাহাজটি মিশরের আকাশসীমা থেকে ১৬ কিলোমিটার দুরে আকাশে উড়ছিলো। তারা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। বিমানটিতে এসময় ৫৯ জন যাত্রী ছাড়াও অন্তত দশ জন ক্রু ছিলেন। এমএস৮০৪ বিমানটি যখন পূর্ব ভূমধ্যসাগরের ৩৭হাজার ফুট ওপর দিয়ে যাচ্ছিলো। কর্মকর্তারা জানান কায়রো সময় ২টা ৪৫ মিনিটে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

বিমান কর্তৃপক্ষ বলছে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সময় ওই উড়োজাহাজটি মিশরের আকাশসীমা থেকে ১৬ কিলোমিটার দুরে আকাশে উড়ছিলো। তারা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারীরা ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছে এবং আরও তথ্য পেলে পরে তারা তা সবাইকে অবহিত করবে। বিশ্বজুড়ে যাত্রিবাহী বিমানগুলোর গতিপথ পর্যবেক্ষণ করে এমন একটি ওয়েবসাইট জানিয়েছে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বিমানটি ছিল এয়ারবাস এ৩২০ বিমান।

আরও পড়ুন