বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

তনু হত্যা মামলার দীর্ঘসূত্রতার কারণ জানালেন আমু

tonu--প্রথম ময়নাতদন্ত রিপোর্ট নিয়ে বিভ্রান্তি ও ভুল ইনফরমেশন থাকার কারণে কুমিল্লায় আলোচিত কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যার মামলা নিয়ে দীর্ঘসূত্রতা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে রোববার দুপুরে কমিটির সভাপতি শিল্পমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথম পোস্টমর্টেমে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ রিপোর্ট নিয়ে বিভ্রান্তি এবং ভুল ইনফরমেশন থাকার কারণে এটার (মামলা) দীর্ঘসূত্রতা হয়েছে। কিন্তু, দ্বিতীয় পোস্টমর্টেমে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ডিএনএ টেস্টে তিনজনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এটা নিয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

বৈঠকে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়নমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, পানি সম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক, পুলিশের আইজিপি শহিদুল হকসহ বিভিন্ন সংস্থা প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের পাশে বাসার অদূরে একটি জঙ্গলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর লাশ পাওয়া যায়। দেশব্যাপী বহুল আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের দাবিতে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে সারা দেশে।

প্রথম ময়নাতদন্তে তনুকে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এরপর দ্বিতীয়বার তনুর লাশ কবর থেকে তুলে পুনরায় ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ডিএনএ টেস্টে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায় এবং এতে তিনজনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। বর্তমানে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত করছে।

আরও পড়ুন