দশম জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে সাংবাদিকদের খোঁজখবর নিতে সংসদ ভবনের সাংবাদিক লাউঞ্জে আসেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে সাংবাদিক লাউঞ্জে এসে সাংবাদিকদের খোঁজখবর নেন তিনি। মিনিট দশেক সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় সাংবাদিকদের সুবিধা-অসুবিধাও জানতে চান তিনি।
সাংবাদিকদের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় তিনি বলেন, “ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড আমি বুঝি না। এগুলো এখনো আমার কাছে ‘আন-নোয়িং’ (অপরিচিত) মনে হয়। আমি টাকাও জমা দিই চেকের মাধ্যমে। আমি তো বাবা ডিজিটাল না, এনালগ।”
এ সময় নিজের প্যান্টের পকেট থেকে নিজের মোবাইল ফোন বের করে সাংবাদিকদের দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমার মোবাইলটাও অ্যানালগ। স্মার্টফোন না। স্মার্টফোনে একটা টিপলে আর একটা আসে।
সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির শরীরের খোঁজ নেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে ঠাট্টা করে তিনি বলেন, আমি যখন এখান থেকে যাই, তখন ছিলাম ৬৮ কেজি, এখন ৬৯ কেজি। এই কয়েক বছরে এক কেজি ওজন বেড়েছে।
একজন সাংবাদিক রাষ্ট্রপতির আত্মজীবনী লেখার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুরু করেছি, মরার আগে হয়তো শেষ করতে পারব।
এ সময় পার্লামেন্ট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের খোঁজখবর নেন রাষ্ট্রপতি। অ্যাসোসিয়েশনে বাই রোটেশন সবাইকে সুযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানান পার্লামেন্ট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি উত্তম চক্রবর্তী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নিখিল ভদ্র, অর্থ সম্পাদক কাজী সোহাগ প্রমুখ।
সাংবাদিক লাউঞ্জে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি জামাল উদ্দীন ও নির্বাহী সদস্য মিজান রহমান। এ ছাড়াও সংসদ বিটের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।


