রবিবার ১১ নভেম্বর ২০১৮
বিশেষ নিউজ

ছাত্রলীগের ছেলেপিলেদের বলি- এখানে এসব করার দরকার নেই: মোস্তাফিজুর


NEWSWORLDBD.COM - June 3, 2016

UEO-Jahidul‘ফর্দ অনুযায়ী’ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ‘নিয়োগ না দেওয়ার’ কারণে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলামকে ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাঁশখালীর সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী।

জাহিদকে ‘দুর্নীতিবাজ’ আখ্যা দিয়ে ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক এই নেতার বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার মোবাইল ফোনে আলাপকালে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদুল ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সহানুভূতি পেতে’ ঘটনাকে ‘অতিরঞ্জিত’ করেছেন বলেও দাবি করেন সাংসদ মোস্তাফিজুর।

সাংসদ বলেন, “আমি ইউএনও অফিসে বসা ছিলাম। আমি তাকে ডাকিনি। সে কোত্থেকে আমার সামনে এসে পড়ে।

“তখন আমি জানতে চাই, বাঁশখালী থেকে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ না দিয়ে কেন বাইরে থেকে লোক নেওয়া হচ্ছে। আমার প্রশ্নের জবাব না দিয়ে সে চিৎকার-চেচামেচি করতে থাকে।”

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “তিনি (নির্বাচনী কর্মকর্তা) বলেন, আপনাকে এর জবাব দিতে আমি বাধ্য নই। উত্তেজিত হয়ে সে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ায়।

“এসময় ছাত্রলীগের কয়েকজন ছেলেপিলে তার দিকে তেড়ে আসে। আমি তাদের নিষেধ করি। বলি- এখানে এসব করার দরকার নেই।”

বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের পাশের ভবনের নিচতলায় উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়।

উপজেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা জাহিদুলের অভিযোগ, ৪ নম্বর বাহার ছড়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী তাজুল ইসলামের দেওয়া ‘ফর্দ’ অনুসারে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ না করায় ইউএনও কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে তাকে মারধর করেন সাংসদ মোস্তাফিজুর।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বুধবার বিকালে তিনি বলেন, “আমি ইউএনও সাহেবের কক্ষে প্রবেশ করে দেখি সেখানে এমপি ছাড়া কেউ নেই।

“তিনি শুরুতে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় একটি গালি দিয়ে বলেন, কথা শুনছ না কেন? বলেই তিনি চড় মারতে শুরু করেন।”

জাহিদুল ইসলাম বলেন, “গালি দেওয়ার পর আমি চিৎকার করে বলতে থাকি- আপনি আমাকে গালি দিতে পারেন না। এরপরই বাইরে থেকে দরজা খুলে চার-পাঁচজন ওই কক্ষে ঢুকে পড়ে।

“তারা সবাই মিলে আমাকে চড়-থাপ্পড় ও কিল-ঘুষি মারতে থাকে। এসময় দরজার বাইরে আরও সন্ত্রাসীরা অবস্থান করছিল।”

সাংসদ মোস্তাফিজুর বলেন, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদুলের ‘দুর্নীতি’ নিয়ে গত রোববার নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেছেন তিনি।

“তিনি (জাহিদুল) দুর্নীতিবাজ। বিভিন্ন প্রার্থীর কাছ থেকে তিনি অনেক টাকা নিয়েছেন। বাঁশখালী বাদ দিয়ে চকরিয়া, পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার বিভিন্ন মাদ্রাসা থেকে প্রায় সাড়ে আটশ প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার নিয়োগ দিয়েছেন।

“বাঁশখালী গিয়ে প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বললেই বুঝতে পারবেন সে (জাহিদুল) কতটা দুর্নীতিবাজ,” বলেন সাংসদ মোস্তাফিজুর।

জাহিদুলকে মারধরের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন মামলা করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে মোস্তাফিজুর বলেন, “আমি কী করব? এটা নির্বাচন কমিশনের ব্যাপার। আইনগতভাবে যা হয় তা হবে।”

যে কোনো সংবাদ জানতে আমাদের ফেসবুক পেজ 'লাইক' করতে পারেন (এই লাইনের নিচে দেখুন)...






-

Editor & Publisher: Anwarul Karim Raju

NEWSWORLDBD.COM
email: [email protected]
Phone: +8801787506342

©Titir Media Ltd.
News & Editorial: 39 Mymensingh Lane, Banglamotor
Dhaka-1205, Bangladesh.