বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

অপারেশন টেবিলে ‘ভুয়া’ ডাক্তার, ২ বছরের কারাদণ্ড

doctrমোবারক ইসলাম (৪০)। ‘ডাক্তার’ নিজেই আয়া ও নার্স। প্রয়োজন হয় না কোনো সহযোগী কিংবা কোনো বিশেষজ্ঞ সার্জারি ডাক্তারও। ২০০৯ সাল থেকে নারীদের সিজারিয়ানসহ বিভিন্ন অপারেশন করে আসছেন ডাক্তার পরিচয়দানকারী মোবারক ইসলাম। কিন্তু কথায় আছে না, ‘পাপ বাপকেও ছাড়ে না’। বুধবার দুপুরে এটাই ফলেছে।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জের ৯নং ওয়ার্ড গোদনাইল চৌধুরীবাড়ি বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত জনস্বাস্থ্য জেনারেল হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে ওই ‘ভুয়া’ ডাক্তারকে আটক করা হয়।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে এই ‘ভুয়া’ ডাক্তারকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

এদিন দুপুরে তিনি হানিফা আক্তার (১৭) নামের কিশোরীর এপেন্ডিসাইটিসের অপারেশন করছিলেন। এ সময় তাকে আটক করে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সিদ্ধিরগঞ্জ সার্কেলের (রাজস্ব) এসিল্যান্ড শিলু রায় এ কারাদণ্ড প্রদান করেন।

এসিল্যান্ড শিলু রায় জানান, দণ্ডিত মোবারক একাই ডাক্তার, তার কোনো সহযোগী লাগে না। ২০০৯ সাল থেকে তিনি মহিলাদের সিজারিয়ান অপারেশনসহ বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা করে আসছিলেন। তিনি নিজেই অপারেশনের রোগীদের অজ্ঞান করে অপারেশন করে থাকেন।

তিনি জানান, ভুয়া ডাক্তার মোবারক ইসলামের অফিসে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বাংলাদেশ, ভারত ও চায়নার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের জাল সার্টিফিকেট ও সার্টিফিকেট তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে দুই বছরের সাজা প্রদান করা হয়।

আরও পড়ুন