
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ‘রাজধানীর উত্তরায় খালে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গুলি কোনো সাধারণ সন্ত্রাসীদের নয়। বড় ধরনের নাশকতার জন্য এগুলো মজুদ করা হয়েছিল।’
সোমবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, জ্বালাও-পোড়াও করে, তারাই এ অস্ত্র রেখেছিল। এগুলো উদ্ধার না হলে দেশে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারতো।’
কালো রঙের নম্বর প্লেট বিহীন গাড়ি থেকে অস্ত্রভর্তি ব্যাগগুলো উত্তরার খালে ফেলে যাওয়া হয়। কিন্তু কিভাবে এতো গুলো চেকপোষ্ট পেরিয়ে এবং নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্যেও গাড়িটি উত্তরাতে প্রবেশ করলো? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলতে আসলে কিছু নেই। কারণ আপনি যতই নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেন না কেন, তার মধ্যে দুই এক ভাগ ফাঁক থেকেই যায়।’
এসএমজির ম্যাগজিন পাওয়া গেলো, কিন্তু এসএমজি পাওয়া গেলো না কেনো- এমন এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘ম্যাগজিন উদ্ধারের পর ওই এলাকা ইঞ্চি ইঞ্চি করে অভিযান চালানো হয়েছে। কিন্তু অস্ত্রের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।’
তিনি বলেন, ‘নম্বর প্লেট বিহীন গাড়িটির বিষয়ে আমরা অভিযান চালাচ্ছি। এরই মধ্যে আমরা সার্চ অভিযান শুরু করেছি। ওই গাড়িটির সন্ধান পেতে অনান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আসলে বলে কয়ে তো অভিযান হয় না। সন্ত্রাসী ধরতে অভিযান পরিচালনাটা আমাদের ডেইলি রুটিন ওয়ার্ক।’
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিতি ছিলেন, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম, ডিবির যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেনসহ অনান্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।


