বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

৭৯০ গার্মেন্ট কারখানা বন্ধ

Garments1439561510দেশে ৭৯০টি পোশাকশিল্প-কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এর মধ্যে যথাযথ নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকায় রপ্তানিমুখী ৩৯টি কারখানা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। জাতীয় পার্টির সাংসদ এ কে এম মাইদুল ইসলামে প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, দেশে ৫ হাজার ১৯০টি পোশাকশিল্প-কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৮৩৪টি রপ্তানিমুখী। জাতীয় উদ্যোগ, অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের তত্ত্বাবধানে রপ্তানিমুখী ৩ হাজার ৭৪৬টি কারাখানায় অগ্নি, বৈদ্যুতিক ও কারখানা ভবনের প্রাথমিক নিরাপত্তা যাচাই করা হয়েছে। যাচাই শেষে যথাযথ নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকায় ৩৯টি কারখানা সম্পূর্ণ এবং ৪২টি কারখানা আংশিক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য কারণসহ সব মিলিয়ে ৭৯০টি কারখানা বন্ধ রয়েছে।

সরকারি দলের সাংসদ ওয়াসিকা আয়শা খানের প্রশ্নের জবাবে তোফায়েল আহমেদ জানান, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে পোশাকশিল্প খাতের পণ্য রপ্তানি করে ২৫ হাজার ৪৯১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করা হয়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে ২৩ লাখ ৭৬২ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে।

সরকারি দলের সাংসদ নুরুন্নবী চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, মন্দাভাব থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ইউরোপের ২৮টি দেশে ২০১০-১১ থেকে ২০১৪-১৫ অর্থবছর পর্যন্ত যথাক্রমে ১১ হাজার ৯৫১ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ডলার, ১২ হাজার ৭৪০ দশমিক ৩৩ মিলিয়ন, ১৩ হাজার ৯৭৬ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন, ১৬ হাজার ৪০৩ দশমিক ৮৬ মিলিয়ন এবং ১৭ হাজার ৩৫ দশমিক ৮৪ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। সব মিলিয়ে ৭২ হাজার ১০৮ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।

সরকারি দলের অপর সাংসদ এ কে এম রহমতুল্লাহ্‌র প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৮টি দেশসহ বিশ্বের ৫২টি দেশে উল্লেখযোগ্য পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেয়ে থাকে।

১৬১ দেশে কর্মী পাঠানো হয়েছে
এস এম আবুল কালাম আজাদের প্রশ্নের জবাবে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম জানান, ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত সৌদি আরবে ১ লাখ ৮ হাজার ৩৮৩ জন কর্মী পাঠানো হয়েছে।
সরকারি দলের সাংসদ মনোয়ারা বেগমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের ১৬১টি দেশে কর্মী পাঠানো হয়ে থাকে।

কৃষকদের কাছ থেকে ৭ লাখ টন ধান কিনে নিচ্ছে সরকার
আয়েন উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, কৃষকেরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, এ জন্য চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকদের কাছ থেকে সাত লাখ টন ধান সরাসরি কেনা হচ্ছে।
প্রশ্নোত্তরের আগে বেলা ১১টায় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

আরও পড়ুন