মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধেও যুদ্ধ ঘোষণা করেছে ইরাক ও সিরিয়াভিত্তিক ইসলামী জঙ্গি সংগঠন আইএস। সম্প্রতি আইএসের প্রকাশিত বেশ কয়েকটি ভিডিও ফুটেজের একটিতে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার শাসকদের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ ঘোষণার কথার জানান দেয় আইএস।
ভিডিওতে দেখা যায় অস্ত্রধারী এক প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে ঘিরে রয়েছে একদল শিশু। এর একটু দূরেই আরেক কিশোরকে একটি একে-৪৭ রাইফেল উঁচিয়ে দোলাতে দেখা যায়। প্রাপ্তবয়স্ক লোকটি ডান হাতের তর্জনী উঁচিয়ে সম্ভবত মালয়েশীয় বাহাসা ও আরবি ভাষার মিশ্রণে তৈরি কোনো ভাষায় কথা বলছিল।
লোকটি মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষকে উদ্দেশ করে বলছিল, ”জেনে রাখ, আমরা এখন আর তোমাদের নাগরিক নই। আর তোমাদের কাছ থেকে নিজেদের স্বাধীন করে নিয়েছি আমরা।” এ সময় ক্যামেরাটি প্যান করে পাশের এক অল্প দাড়িওয়ালা লোকের পওর ফোকাস করে, যার হাতে ধরা ছিল একটি মালয়েশিয়ান পাসপোর্ট।
”আল্লাহর অনুমোদন এবং সহায়তায় আমরা তোমাদের দিকেও এমন এক সেনাবাহিনী নিয়ে আসছি যাকে তোমরা পরাস্ত করতে পারবে না,” লোকটি বলে চলেছে। ”আল্লাহই আমাদেরকে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন,” বলে ওই প্রাপ্তবয়স্ক বন্দুকধারী।
যেসব সরকার ও রাষ্ট্রনেতারা ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরার জন্য ইসলামী নীতিমালা মেনে চলে না তাদেরকে উৎখাতেরও হুমকি দেয় বন্দুকধারী লোকটি।
কিছুক্ষণ পরই লোকটি তার মালয়েশীয় পাসপোর্টটি বাচ্চা ছেলেদের জটলার মাঝখানে ছুড়ে ফেলে। এরপর বাচ্চারা পাসপোর্টটি আরো কিছু স্তুপাকৃতির দলিল দস্তাবেজসহ আগুনে পুড়িয়ে উল্লাস করতে থাকে।
এর পরের দৃশ্যে, একটি শ্রেণিকক্ষে টুপি পরা একদল বাচ্চাকে ধর্মীয় পাঠ নেওয়ার সময় উচ্চস্বরে পড়তে দেখা যায়। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের দয়িত্বে ছিল একজন প্রাপ্তবয়স্ক লোক। আরেক লোকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত যুদ্ধবিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছিল ওই শ্রেণিকক্ষে।


