গুলশান হামলার রেশ না কাটতেই ঈদের সকালে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় দেশের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাতের মাঠে পুলিশ সদস্যদের ওপর বোমা হামলায় এক পুলিশসহ ২ জন নিহত এবং আরও অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
জানা গেছে, কিশোরগঞ্জে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম ঈদগাহ ময়দানের প্রবেশ পথে টহল পুলিশের ওপর বোমা হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। একে পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের গুলি বিনিময় শুরু হয়। এতে নিহত হন জহিরুল ইসলাম নামে পুলিশের এক কনস্টেবল। নিহত সন্ত্রাসীর নাম জানা যায় নি।
এ ঘটনায় আহত হয়েছে কমপক্ষে ১০ পুলিশ সদস্য। তবে নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে সেখানে ঈদের জামাত হয়েছে কিনা সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য মিলছে না।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার আগে আগে শেলাকিয়া মাঠের সোয়া কিলোমিটার দূরে আজিমুদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ফটকের কাছে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে কিশোরগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (সদরদপ্তর ) ওবায়দুল হাসান জানান।
এ ঘটনায় শোলাকিয়া মাঠের জামাতে অংশ নিতে জড়ো হওয়া লাখো মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। অবশ্য পরে নির্বেঘ্নেই ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় বলে পুলিশ কর্মকর্তারা জানান।
ওবায়দুল হাসান শোলাকিয়া থেকে বলেন, “কিছুর বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। তবে এখনও সব কিছু স্পষ্ট নয়।”
হামলার পর পুলিশসহ ১৩ জনকে কিশোরগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে জহুরুল হক (৩০) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলকে মৃত ঘোষণা করা হয় বলে ডেপুটি সিভিল সার্জন হাবিবুর রহমান জানান।
শোলাকিয়া মাঠে উপস্থিত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন খানও এ সময় হাসপাতালে ছুটে যান।
পরে আহতদের মধ্যে ছয় পুলিশ সদস্যকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে ডেপুটি সিভিল সার্জন জানান।


