বাংলাদেশে কোনো আইএস নেই, যারা আছে তারা জামায়াতের প্রেতাত্মা। দেশকে অস্থিতিশীল করতেই তারা গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়েছিল- এমন মন্তব্য আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হকের।
শনিবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে আইনজীবী সহকারীদের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতের বিচার চলছে। এ বিচারকে বানচাল করতেই তারা গুলশানে হামলা চালিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, জঙ্গিদের বিচার আইনানুযায়ী হবে। কিন্তু সামাজিক প্রতিরোধের অংশ হিসেবে তাদের জামিনে বাধা দিতে হবে। কোর্টে জঙ্গিদের জামিন চাওয়া প্রতিরোধ করতে হবে। এজন্য তাদের পক্ষে কোনো ওকালতনামা আদালতে জমা দেবেন না।
আইনমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যেন সরকার শেষ না করতে পারে সেজন্যই অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, যারা জঙ্গিদের সঙ্গে আছে তাদের সঙ্গে কোনো ঐক্য নয়। সরকার জঙ্গি নির্মূল করতে চায়। দেশের শতকরা ৯৯ ভাগ মানুষ জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এক পার্সেন্ট লোক নাও থাকতে পারেন।
তিনি বলেন, ৩০ বছর আগে যারা আপনাদের জন্য আইন করতে চেয়েছিল তারা আজকের অনুষ্ঠানেও আসেননি। আমার গাড়ীর নিচে মাথা দেওয়ার দরকার নেই, আমাকে মার্ডার কেসের আসামী করতে হবে না। এই আইন হবেই। আগামী সেপ্টেম্বরে পরবর্তী অধিবেশনে আপনাদের আইন করা হবে।
আনিসুল হক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আইনজীবী না হয়েও আপনাদের(আইনজীবীদের ক্লার্কদের) বিষয়ে চিন্তা করেছেন, আপনারা স্বীকৃত। আইন করে আপনাদের স্বীকৃতি দিলে আমাদেরও সম্মান বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, আপনারা হাতে হাত রেখে কাজ করলে জঙ্গীবাদের মদদদাতাদের আমরা বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত করতে পারবো।
মোহাম্মদ নুর মিয়ার সভাপতিত্বে অভিষেক অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতি অ্যাড. ইউসুফ হোসেন হুমায়ন, নুরুল ইসলাম সুজন এমপি, বার কাউন্সিলের সদস্য অ্যাড. জেড আই খান পান্না, অ্যাড. শ ম রেজাউল করিম, আইনজীবী সহকারী সমিতির প্রচার সম্পাদক মো. হুমায়ন কবির প্রমুখ।


