খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘তারা জামায়াতকে ছেড়ে আসলে এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্ব মানলে বিবেচনা করব, তাদের ঐক্যে নেওয়া যায় কি না।’
শনিবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শফিউর রহমান মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
কামরুল ইসলাম বলেন, ‘জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইকে আমরা রাজনীতিকরণ করতে চাই না। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এই যুদ্ধ করতে হবে। এই যুদ্ধের নেতা শেখ হাসিনা। তারা জামায়াতকে বাদ দিয়ে আসলে এবং শেখ হাসিনাকে নেতা মানলে বিবেচনা করা হবে তাদের নেওয়া যায় কি না।’
সবাইকে সবার প্রতি নজর রাখার আহ্বান জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সবাই সবাইকে লক্ষ্য করবেন। আগে সবার আঙুল ছিল কওমী মাদ্রাসার দিকে। এখন ইংলিশ মিডিয়াম থেকে আসছে তারা। ওরা আমাদের তরুণদের বিভ্রান্ত কাজ করছে। তাই আমাদের সবাইকে সবার প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে।’
বাংলাদেশের সঙ্গে বহির্বিশ্বের ষড়যন্ত্রকারীরা একত্র হয়ে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের চরিত্র ভিন্ন। আইএস এর খোলস দিয়ে সহায়তার নামে বাংলাদেশ স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ন করতে চায়। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে বাধাগ্রস্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ধরনের কোনো সহায়তা নিবেন না।’
এই আন্তর্জাতিক ষড়যন্তকারীদের সঙ্গে দেশিয়রা একত্রে কাজ করছে উল্লেখ করে কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা দেশিয়দের সঙ্গে একত্রে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীদের সঙ্গে যুদ্ধাপরাধী ও আগুন সন্ত্রাসীরা একসঙ্গে ষড়যন্ত্র করছে। এর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের মতো ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াইয়ে ঝাপিয়ে পড়তে হবে।’
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী খুব দ্রুতই এসব হামলার পরিকল্পনাকারী ও অর্থ যোগানদাতারাও বেরিয়ে আসবে বলে উল্লেখ করেন খাদ্যমন্ত্রী।
তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রায় নিয়েও কথা বলেন কামরুল। তিনি বলেন, ‘গত পরশু যুগান্তকারী রায় হয়েছে। নিম্ন আদালতকে প্রভাবিত করে খালাসের রায় নিয়েছিল। এখন আমরা শুদ্ধভাবে রায় পেয়েছি।’
আইনজীবী সহকারী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ নুর মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। এছাড়া সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য জেড আই খান পান্না প্রমূখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
এর আগে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন।


