বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। ২০১৬ সালে খ্রিস্টান, হিন্দু ও বৌদ্ধদের উপর হামলা ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে। যুক্তরাজ্যের ফরেন এন্ড কমনওয়েলথ অফিস থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিবেদনে বাংলাদেশ অংশে এ তথ্য উঠে এসেছে। গত ২১ জুলাই এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে দেশটি।
বৃটিশ সরকারের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ও সেক্যুলার ব্লগারদের উপর অব্যাহত হামলা বৃদ্ধির সময় এবিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তৎকালীন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন জি-৭ সম্মেলনে আলোচনা করেন। যুক্তরাজ্য চায় মত প্রকাশের অবাধ স্বাধীনতার প্রতিষ্ঠা এবং যারা এটি প্রকাশ করে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
যে সমস্ত সন্ত্রাসীরা হামলা চালাচ্ছে তাদের বিচারের আওতায় নিয়ে এসে শাস্তি নিশ্চিত করারও আহবান জানানো হয়েছে প্রতিবেদনটিতে। নাগরিকের জীবনের নিরাপত্তা ও বাংলাদেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা যেন বহাল থাকে তা নিশ্চিতের আহবান জানানো হয়।
বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া পৌর নির্বাচনের সহিংসতার সমালোচনা করে প্রতিবেদনে বলা হয়, মে মাসে শেষ হওয়া দলীয় ব্যানারের প্রথম পৌর নির্বাচনে ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। দলীয় কোন্দলে অন্তত ১১৬ জন প্রাণ হারায়। এতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। যারা নির্বাচন বিধি লংঘন করেছে তাদের দমনে ব্যর্থ হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ যেহেতু নিজেদের মধ্যম ও উন্নত আয়ের দেশে নিয়ে যাবার লক্ষ্যে কাজ করছে সেহেতু ন্যায় বিচার, বলিষ্ট সুশীল সমাজ ও মত এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।


