বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

মীর কাসেমের রিভিউ শুনানি ২৪ আগস্ট

006_226295একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর চূড়ান্ত রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনটি শুনানির জন্য ২৪ আগস্ট নির্ধারণ করেছেন আদালত।

সোমবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ দিন নির্ধারণ করেন।

বেঞ্চের অপর তিন সদস্য হলেন—বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এবং বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

রোববার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে দেখা গেছে, মীর কাসেমের রিভিউ আবেদনটি সোমবারের কার্যতালিকায় ৬৩ নম্বরে রয়েছে। পরে তার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন আদালতের কাছে প্রস্তুতির জন্য দুই মাস সময় চান। শুনানি শেষে আদালত এ দিন নির্ধারণ করেন।

পরে খন্দকার মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রস্তুতির জন্য আমরা দুই মাস সময় চেয়েছিলাম। আদালত এক মাস দিয়েছে। ২৪ অগাস্ট শুনানির তারিখ দিয়েছে।’

মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে আপিলের পূর্ণাঙ্গ রায় গত ৬ জুন প্রকাশের পর তা পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে ১৯ জুন আবেদন করেন জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম। ওই আবেদনে ১৪টি আইনগত যুক্তি তুলে ধরে তাকে বেকসুর খালাস দেয়ার আবেদন জানানো হয়।

এরপর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রিভিউ আবেদনটি ২৫ জুলাই শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আসবে বলে জানানো হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের প্রত্যাশা, সর্বোচ্চ আদালতে রিভিউ ও রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ হলে যুদ্ধাপরাধী একাত্তরে চট্টগ্রামের ত্রাস জেলা বদর কমান্ডার মীর কাসেম আলীর রায় কার্যকর হবে। মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষতিগ্রস্ত ও স্বজনহারাসহ সমগ্র দেশবাসী রায় কার্যকরের অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। ৬৪ বছর বয়সী মীর কাসেম আলী ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মৃত্যুর প্রহর গুনছে।

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রামে হত্যা, লুণ্ঠন, অপহরণ ও নির্যাতনের দায়ে ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর একাত্তরের বদর নেতা মীর কাসেম আলীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে গত ৮ মার্চ মীর কাসেমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন সর্বোচ্চ আদালত।

মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ট্রাইব্যুনালের আদেশে ২০১২ সালের ১৭ জুন মীর কাসেম আলীকে গ্রেফতার করা হয়। সেই থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

আরও পড়ুন