এমপিওভুক্ত বেসরকারি কলেজে বৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েও বেতন ভাতা ও আনুসঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ বেসরকারি কলেজ অনার্স মাস্টার্স শিক্ষক পরিষদ।
তাদের অভিযোগ, জাতীয়করণকৃত কলেজের অনার্স ও মাস্টার্সের শিক্ষকরা আজ পর্যন্ত কোন সরকারি সুবিধা পায়নি। শিক্ষকরা বেতন ভাতা না পেলে সুষ্ঠভাবে পাঠদান চালানো সম্ভব নয়। তাদের বেতনের ব্যবস্থা না করে উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়নও অসম্ভব।
শুক্রবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে তারা এ অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কাজী কামরুজ্জামান।
তিনি বলেন, বৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত এসব শিক্ষককে ১৯৯৩ সাল থেকে আজ পর্যন্ত জনবল কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত না করায় তাদের এমপিওভুক্ত করা হয়নি। ফলে তারা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বেসরকারি কলেজ পর্যায়ে উচ্চশিক্ষার মান উন্নোয়নে প্রধান অন্তরায়।
কামরুজ্জামান বলেন, একই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যেখানে ইন্টারমিডিয়েট ও ডিগ্রির শিক্ষকরা এমপিওভুক্ত হতে পারেন, অন্যদিকে মাদ্রাসা পর্যায়ে আলেম ফাজেল ও কামেল শ্রেণির শিক্ষকরাও এমপিওভুক্ত হতে পারেন, তাহলে অনার্স মাস্টার্স শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত না করে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত রাখার কোন যৌক্তিকতা থাকতে পারে না।
তিনি বলেন, এসব শিক্ষক দুর্ভোগের শিকার ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
এসময় শিক্ষক নেতৃবৃন্দ শিক্ষার মনোন্নয়ন ও দেশের স্বার্থে এ সমস্যার দ্রুত সমাধানে সরবারের নীতি নির্ধারকদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলন শেষে কেন্দ্রীয় কমিটির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন, সংগঠনের সভাপতি কাজী ফারুক, সহ সভাপতি শাহজাহান মোল্লা, মোওদুদ আহম্মদ, আতাউর রহমান, আনিসুর রহমানসহ প্রায় ৫২ জেলা থেকে আগত শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।


