বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

‘শুনেছি সরকারি দলের কিছু নেতা নায়েকের ভক্ত’

Islami frontজঙ্গিবাদীরা ওহাবি, সালাফি, খারেজিদের অনুসারী। আর সালাফিরাই মূলত আহলে হাদিস। ভারতের বিতর্কিত ইসলামি বক্তা জাকির নায়েকও আহলে হাদিস। তাকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব এমএ মতিন।

তিনি বলেছেন, ভারতীয় ইসলামি বক্তা জাকির নায়েকের বক্তব্যে জঙ্গিবাদ উৎসাহিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাকির নায়েক আহলে হাদিসের অনুসারী। শুনেছি সরকারি দলের কিছু নেতাও নাকি জাকির নায়েকের ভক্ত!

জঙ্গিবাদীরা ওহাবি, সালাফি, খারেজিদের অনুসারী উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু পিস টিভি বন্ধ করলে চলবে না। এ টিভির বক্তা বেলাল ফিলিপস, জাকির নায়েকসহ অন্যদের যারা নানাভাবে প্রত্যক্ষ–পরোক্ষভাবে সন্ত্রাসবাদে সহায়ক ভূমিকা রেখে যাচ্ছে তাদের তৎপরতা বন্ধ করতে হবে।

শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটি (ডিআরইউ) গোলটেবিল আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব এমএ মতিন। দলটির পক্ষ থেকে ‘ইসলামের নামে তথাকথিত জঙ্গিবাদ: কারণ ও প্রতিকার’ শীর্ষক এই আলোচনার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা সকল প্রকার নাস্তিক্যবাদী চর্চা বন্ধ, আহলে হাদিসের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও চ্যানেল আই এর সত্যের সন্ধানের পরিচালক আল্লামা নুরুল ইসলাম ফারুকীর হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারসহ জঙ্গিবাদ দমনে বৃহত্তর ঐক্যের দাবি জানান।

সংগঠনের চেয়ারম্যান আল্লামা এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে আলোচনায় আরো অংশ নেন বাংলাদেশ কল্যাণপার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বীর প্রতীক, অধ্যক্ষ আব্দুল করিম সিরাজনগরী, অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান, সাপ্তাহিক আজকের সূর্যোদয়ের প্রধান সম্পাদক খন্দকার মোজাম্মেল হক প্রমুখ।

উল্লেখ, ‍গুলশান হামলায় জড়িত এক জঙ্গি জাকির নায়েকের ভক্ত ছিলেন, একই সঙ্গে ভারতের কাশ্মীরে এক স্বাধীনতাবাদী তরুণ পুলিশের হাতে নিহত হওয়ার পর জানা যায় তিনিও নায়েকের ভক্ত ছিলেন। এই ঘটনার পর ভারত জাকির নায়েকের পিস টিভি বন্ধ করে দেয়। এর একদিন পরেই বাংলাদেশেও টিভি চ্যানেলটি বন্ধ করে দেয়া হয়। ভারতে এখন নায়েকের কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্ত চলছে।

আরও পড়ুন