যশোরের কেশবপুরে সেপটিক ট্যাংকে বাবা-ছেলেসহ পাঁচ নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিকাল ৫টার দিকে কেশবপুর উপজেলার বরণডালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন কেশবপুর থানার ওসি শহীদুল ইসলাম।
নিহতরা হলেন- উপজেলার বরণডালি গ্রামের আহাদ আলী গাজী (৪৫), তার ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৩), সাহাপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ (২২), ইকবাল হোসেন (৩৫) ও আল আমিন (২৮)।
বাড়ির মালিক অজিয়ার মোড়ল সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকদিন আগে তার বাড়িতে একটি সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ করা হয়েছে। বিকালে শ্রমিকরা ওই ট্যাংকের ছাদ জমানোর কাজে ব্যবহৃত বাঁশ ও কাঠ খুলতে ভেতরে ঢোকে। এরপর অল্প সময়ের মধ্যে পাঁচ শ্রমিকের মৃত্যু হয়। ট্যাংকের ভেতরের বিষাক্ত গ্যাসে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, বলেন অজিয়ার।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বরনডালি গ্রামের আহাদ গাজী ও তার ছেলে নতুন একটি ঘর নির্মাণের জন্য সেপটিক ট্যাংকের ওপর দাঁড়িয়ে তিন শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় হঠাৎ ট্যাংকটি ভেঙ্গে গেলে পাঁচজনই ভিতরে পড়ে যান। পরে গ্রামবাসী এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের মৃত. অবস্থায় উদ্ধার করে।
কেশবপুর থানার ওসি শহীদুল ইসলাম বলেন, ট্যাংকে প্রথমে তিন শ্রমিক নামেন। তারা উঠলে কিছুক্ষণ পর নামেন শফিকুল ইসলাম। তিনিও না ওঠায় নামেন তার বাবা আহাদ আলী গাজী। এরপর কেউ না ওঠায় বাড়ির লোকজনের চিৎকারে প্রতিবেশীরা গিয়ে পাঁচ জনের লাশ উদ্ধার করে।
ওসি বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশগুলো যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


