২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় প্রথম চার্জশিট দাখিলকারী তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির এএসপি মো. ফজলুল কবীরকে আসামিপক্ষের জেরা অব্যাহত রেখেছে ট্রাইব্যুনাল।
সোমবার মামলাটিতে আসামি মঈন উদ্দিনের আইনজীবী এ সাক্ষীকে জেরা করেন। এ আসামির পক্ষে জেরা শেষ হওয়ার পর মঙ্গলবার পর্যন্ত সাক্ষ্য গ্রহণ মুলতবি করেন ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নুরুদ্দিন।
ওই ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি আবু আব্দুল্লাহ ভূইয়া জানান, মঙ্গলবার আসামি সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুর পক্ষে জেরা শুরু হবে। আগামী সপ্তাহেই এ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হতে পারে।
গত ১ জুন মামলাটিতে ২২৪ তম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেয়া শুরু করেন সিআইডির এই কর্মকর্তা। এরপর থেকে প্রত্যেক সপ্তাহে দুটি ধার্য তারিখে এ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।
মামলাটিতে আসামি খালেদা জিয়ার ভাগ্নে লে. কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক, সাবেক আইজিপি মো. আশরাফুল হুদা, শহিদুল হক ও খোদা বক্স চৌধুরী এবং মামলাটির তিন তদন্ত কর্মকর্তা সাবেক বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, সিআইডির সিনিয়র এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমান, এএসপি আব্দুর রশীদ ও সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আরিফুল ইসলাম জামিনে রয়েছেন।
অন্যদিকে সাবেক স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, হুজি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ২৫ জন কারাগারে এবং বিএনপির চেয়ারপারসনের বড় ছেলে তারেক রহমানসহ ১৯ জন পলাতক।
প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জনসভায় গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জনের নির্মম মৃত্যু হয়। গ্রেনেডের স্পিন্টারের আঘাতে আহত হন কয়েক শতাধিক। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেও শ্রবণশক্তি হারান।


