বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

বঙ্গবন্ধু’র খুনীদের ফেরাতে দেশগুলো সাড়া দিচ্ছে না: আইজিপি

IGP-Bangabadhu killersবঙ্গবন্ধু’র পলাতক খুনীরা যেসব দেশে আছে তাদের ফেরানোর বিষয়ে ওইসব দেশ সাড়া দিচ্ছে না বলে জানিয়েছেন পুলিশের আইজি একেএম শহিদুল হক। দুপুরে ধানমন্ডির ৩২নম্বরে বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের এতথ্য জানান। তিনি বলে, পলাতক খুনীদের ফিরিয়ে আনতে যে টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছিল তা কাজ করছে। খুনীরা প্রত্যেকে দেশের বাইরে আছে। তারা যেসব দেশে আছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছে। কিন্তু সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।

এদিকে বঙ্গবন্ধু’র প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ উপলক্ষে ভোর থেকে ধানমন্ডির ৩২নম্বর ও আশপাশের এলাকায় কড়া নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তল্লাশীর পরই সর্ব সাধারণকে নির্ধারিত এলাকায় প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে। ভোরে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ওই এলাকা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। ঢল নামে সাধারণ মানুষের। হাজারো মানুষ শোক আর শ্রদ্ধায় বঙ্গবন্ধু’র প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সদস্যদের নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনিদের মধ্যে ছয়জনের রায় এখনো কার্যকর হয়নি। এমনকি এ ছয়জনের মধ্যে চারজনের অবস্থান এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি কেউ।

এ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১২ আসামির মধ্যে পাঁচজনের দণ্ড কার্যকর হয়েছে। অপর সাতজনের মধ্যে ছয়জন এখনো বিদেশে পালাতক। এরা হলেন, খন্দকার আবদুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম, এসএইচএমবি নূর চৌধুরী, মোসলেম উদ্দিন, রাশেদ চৌধুরী ও আবদুল মাজেদ।

সরকারের তথ্য মতে, রাশেদ চৌধুরী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে এবং নূর চৌধুরী কানাডায় রয়েছেন। খন্দকার আবদুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম, আব্দুল মাজেদ ও মোসলেম উদ্দিন খান সম্পর্কে সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নেই।

তবে খন্দকার আবদুর রশিদ কোনো সময় পাকিস্তানে কোনো সময় লিবিয়ায়, শরিফুল হক ডালিম পাকিস্তানে, আবদুল মাজেদ সেনেগালে রয়েছেন বলে খবর প্রকাশ পায়।

তাদের গ্রেফতারে ইন্টারপোলের পরোয়ানা জারি অব্যাহত রয়েছে। দণ্ডিত অপরজন আবদুল আজিজ পাশা পলাতক অবস্থায় জিম্বাবুয়েতে মারা গেছেন।

আরও পড়ুন