চিকিৎসক না হয়েও ডা. এমএমএ বারি নামের এক ব্যক্তি নিজেকে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পরিচয় দিয়ে চিকিৎসা কার্যক্রম চালাচ্ছিলেন। এ অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে চার মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।
রোববার বিকালে নওগাঁ শহরের হাসপাতাল সড়কের বলাকা ক্লিনিকে অভিযান চালায় সিভিল সার্জন অফিসের একটি মেডিকেল টিম ও ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ সময় আদালতের বিচারক সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রবিউল ইসলাম ওই ভুয়া চিকিৎসককে কারাদণ্ড দেন। বিকালেই ওই ভুয়া চিকিৎসককে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
নওগাঁ সদর মডেল থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, এমএমএ বারি নিজেকে ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক পরিচয় দিয়ে শহরের বলাকা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গত এক মাস ধরে রোগী দেখে ব্যবস্থাপত্র দিচ্ছিলেন।
ওই ক্লিনিকের মালিক এনামুল হক বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য কথিত ওই চিকিৎসকের কাছে তার অধ্যাপনা ও চিকিৎসার কাগজপত্র চান। বিষয়টি তিনি আমলে না নিলে সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি তিনি স্থানীয় সিভিল সার্জন অফিসকে জানান।
সিভিল সার্জন ডা. একেএম মোজাহার হোসেন গোপনে খোঁজ-খবর নিয়ে নিশ্চিত হন যে, বারি প্রকৃতপক্ষে কোনো চিকিৎসক নন। পরে রোববার বিকাল ৩টার দিকে সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে একটি টিম ওই ক্লিনিকে অভিযান চালায়।
এসময় কথিত ওই চিকিৎসককে চ্যালেঞ্জ করলে চিকিৎসার বিষয়ে কোনো কাগজপত্র দেখাতে তিনি ব্যর্থ হন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাকে দণ্ড দেয়।
এছাড়া ভুয়া চিকিৎসককে ওই ক্লিনিকে সুযোগ দেয়ার অভিযোগে ক্লিনিকের মালিক এনামুল হককে তিন হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।


