বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

পীর ও মহিলা মুরিদকে নগ্ন অবস্থায় আটক

Peer Muridঅসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় আব্দুল হান্নান (৫২) নামে এক ভণ্ডপীর ও তার মুরিদ রেহানা খাতুনকে (৩২) হাতেনাতে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা।

রোববার রাতে বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় সুখানগাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বগুড়া সদর উপজেলার ঝোঁপগাড়ি গ্রামের মৃত ছমির উদ্দিন পীরের ছেলে পীর আব্দুল হান্নানের শেরপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বেশ কিছু মুরিদ রয়েছে। বিরইল গ্রামের ফজলুল হকের স্ত্রী রেহানা খাতুনও ৭/৮ বছর আগে তার মুরিদ হয়। সেই সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এসব জানাজানি হওয়ার এক পর্যায়ে গত কয়েকমাস আগে ফজলুল হকের সঙ্গে তার স্ত্রী রেহানা খাতুনের ছাড়াছাড়ি হয়।

রোববার উপজেলার সুখানগাড়ি গ্রামের আবু বক্কর পীরের বাড়িতে আব্দুল হান্নান পীরের আসার কথা শুনে রেহানা খাতুন আগেই তার বাড়িতে যান। সেখানে হালকায়ে জিকির করার পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে একটি কক্ষের মধ্যে ভণ্ডপীর আব্দুল হান্নান ও তার প্রেমিকা কথিত মুরিদ রেহানা খাতুন আসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকায় এলাকাবাসী নগ্ন অবস্থায় তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলে এবং মারধর করে শেরপুর থানায় সোপর্দ করে।

পরে রাত ২টার দিকে শেরপুর থানা পুলিশ মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ব্যাপারে ওই এলাকার মাতুব্বর আলহাজ্ব জাহিদুর রহমান জ্যোতিসহ একাধিক ব্যক্তি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তাদেরকে উলঙ্গ অবস্থায় ধরে শেরপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছিল।

স্থানীয় মেম্বার জাহাঙ্গীর আলম জানান, রেহানা খাতুনের ১৮ বছরের সুখের সংসার এই ভণ্ডপীরের কারণেই ভেঙে গেছে। এ নিয়ে আমরা ইতিপূর্বে বিচারও করেছি।

এ ব্যাপারে শেরপুর থানার ওসি খান মো. এরফান বলেন, দু’পক্ষের লোকজন আপস হয়ে মুচলেকা দিয়ে তাদের নিয়ে গেছে।

আরও পড়ুন