বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

ভাষা সৈনিকের মেয়ে বিএনপি নেত্রী ব্যারিস্টার ফারহানাকে বিদেশ যেতে বাধা

Rumin Farhanaবায়ান্নের ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগঠক ও প্রয়াত রাজনীতিক অলি আহাদের মেয়ে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে বিদেশ যেতে বাধা দেয়া হয়েছে। বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠিয়েছে পুলিশ।

বিমানবন্দর থেকে ফেরার পর বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১০টার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন। তিনি জানান, দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির ওমান প্রবাস শাখা আয়োজিত একটি আলোচনা সভায় অংশ নেয়ার কথা ছিল তার। তিনি ওমানের উদ্দেশে যাত্রা করতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় হযরত শাহজাহাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান।

রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে ইত্তেহাদ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তার ওমানের উদ্দেশে রওনা দেয়ার কথা ছিল।

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, কিছুদিন ধরে আমাকে বারবার বিমানবন্দর অপেক্ষা করিয়ে রেখে শেষে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। এ নিয়ে আমি উচ্চ আদালতে রীট করলেও কোনও প্রতিকার পাইনি। যেহেতু প্রতিবারই দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করিয়ে রাখে তাই এবারও চারঘণ্টার আগে সন্ধ্যা ৬টায় আমি বিমানবন্দরে যাই। কিন্তু যথারীতি এবারও আমাকে বোর্ডিং পাস সম্পন্ন হওয়ার পর অপেক্ষা করিয়ে রাখা হয়। এ সময় গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনকে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কথা বলতে দেখেছি। পরে আমাকে জানিয়ে দেয়া হয় আমার বিদেশগমণে ক্লিয়ারেন্স নেই।

এদিকে আমার ব্যাগটি ততক্ষনে বিমানে চলে যায়। আমি বিষয়টি জানানোর পর তারা ব্যাগটি ফেরত দেয়। তবে আমার ব্যাগটি ছিল ছেড়া। তিনি বলেন, একদিকে আমাকে বিদেশে যেতে বাধা দেয়া হল অন্যদিকে আমার ব্যাগটি ছেঁড়া হয়েছে। কেন তারা আমার ব্যাগটি ছিঁড়েছে জানি না।

এ দিকে বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন ইনচার্জ (সিনিয়র এএসপি) কাদেরি বলেন, ‘ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে গেছেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি না থাকায় তাকে যেতে দেয়া হয়নি।’

এর আগে, তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ইন্টারন্যাশনাল জুরিস্ট কাউন্সিলের আয়োজনে ১৯ থেকে ২৩ মে একটি কনফারেন্স হয়েছিল। ওই করফারেন্সে অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম ও ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তখনো তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন বিএনপির এই নেত্রী।

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা জানান, ‘বিদেশ যেতে যদি বিমানবন্দরে বাধা দেয়া হয় তাহলে আদালত তাকে জানাতে বলেছেন। কিন্তু এরা (বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ) আদালতের কথাও শোনে না। যেহেতু শুক্রবার অনুষ্ঠান, সেহেতু আদালতে জানালেও তো আমি সে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারবো না।’

আরও পড়ুন