আটকের পর ঘুষ হিসেবে নেওয়া টাকা ফেরত দেওয়ার শর্তে ছাড়া পেলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বড়াইগ্রাম শাখার ফিল্ড সুপারভাইজার উজ্জ্বল হোসেন।
ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে বুধবার বড়াইগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কার্যালয়ে ডেকে তাকে আটক করা হয়। পরে লিখিত মুচলেকা দিয়ে তিনি ছাড়া পান।
এর আগে ইসলামী ফাউন্ডেশনের ১২ শিক্ষক উজ্জ্বল হোসেনের বিরুদ্ধে ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগে জানা যায়, বড়াইগ্রামে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত ৫ বছর মেয়াদি প্রকল্পে ৫২টি সহজ কোরআন শিক্ষা, ৭৪টি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা ও দুটি বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ্রে মোট ১২৮ শিক্ষক রয়েছেন। তারা মাসিক দুই হাজার টাকা করে সম্মানী পান। এই শিক্ষকদের কাছ থেকে প্রতি বছরের শেষে বিশেষ সম্মানী বাবদ এক হাজার টাকা করে নেন ফিল্ড সুপারভাইজার উজ্জ্বল হোসেন। এ ছাড়া কেন্দ্র নবায়ন ফি’র নামে অধিকাংশ কেন্দ্র থেকে দুই হাজার টাকা করে ঘুষ নেন। এ ছাড়া বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনকালে শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলে তা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েও ঘুষ নেন।
এ ব্যাপারে ইউএনও রুহুল আমিন বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে ঘুষ হিসেবে নেওয়া সব টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করেছি। বিষয়টি ইসলামী ফাউন্ডেশনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
অভিযুক্ত উজ্জ্বল হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমি বিব্রত। সব টাকা আমি নেইনি। আমার নাম ভাঙিয়ে অফিসের অনেকে টাকা নিয়েছেন।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাটোরের উপপরিচালক মতিউর রহমান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে উজ্জ্বল হোসেনকে তাৎক্ষণিকভাবে বদলি করা হয়েছে। প্রধান কার্যালয়ে বিষয়টি জানানো হয়েছে, তারা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।


