গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ তামিম চৌধুরীর খোঁজের জন্য যে ২০ লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল, সেই টাকা পেয়েছে পুলিশের চার সংস্থা।
এই সংস্থাগুলো হলো পুলিশ সদর দপ্তরের গেয়েন্দা (ডিবি) বিভাগ, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্র্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট, বিশেষ বাহিনী সোয়াট ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর পুলিশ সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে চারটি সংস্থার কর্মকর্তাদের কাছে পুরস্কারের ২০ লাখ টাকা হস্তান্তর করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক।
এ সময় আইজিপি বলেন, তামিম চৌধুরী এবং সেনাবাহিনীর বরখাস্তকৃত মেজর সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হকের সন্ধানদাতার জন্য ২০ লাখ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করেছিলাম।
“‘ইন্টেলিজেন্স লেড পুলিশিং’ এর মাধ্যমে জননিরাপত্তার স্বার্থে জঙ্গি দমনের এ সাহসী অভিযানে প্রণোদনাস্বরূপ চারটি ইউনিটের পুলিশ কর্মকর্তাদের আজ পুরস্কৃত করা হয়”, যোগ করেন আইজিপি।
এ সময় অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মোখলেসুর রহমান, ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, অতিরিক্ত আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারীসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গত ২৭ আগস্ট (শনিবার) সকালে নারায়ণগঞ্জ সদরের পাইকপাড়ায় দেওয়ানবাড়িতে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ অভিযানের নাম ছিল ‘হিট স্ট্রং টোয়েন্টি সেভেন’। অভিযানে রাজধানীর গুলশান ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া হামলার ‘পরিকল্পনাকারী ও অর্থ জোগানদাতা’ তামিম আহমেদ চৌধুরীসহ তিন জঙ্গি নিহত হন। এ অভিযান চালান পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট ও সোয়াতের সদস্যরা।


