মানবতা বিরোধী অপরাধের অভিযোগে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী কমিটির সদস্য মীর কাসেম আলী প্রাণভিক্ষা চাইবেন না বলে জানিয়েছেন আইজি প্রিজন্স ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন। শুক্রবার বিকেলে টেলিফোনে সাংবাদিকদের তিনি এই তথ্য জানিয়েছেন।
কাশিমপুর কারাগার-২ এর জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক শুক্রবার বিকাল সোয়া ৪টায় আমাদের গাজীপুর প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন, “আমরা দুপুরের পর আবারও তার সিদ্ধান্ত জানতে চেয়েছিলাম। উনি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির কাছে প্রণভিক্ষা চাইবেন না।”
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জেলসুপার প্রশান্ত কুমার বনিক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, মীর কাসেম আলীর এই সিদ্ধান্ত জানানোর পর সেখানে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। একই সাথে কারারক্ষীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
কারাসূত্র জানায়, কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসির মঞ্চ আছে একটি। মঞ্চটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। মোম মাখানো দড়িতে বালুর বস্তা দিয়ে প্রাথমিক মহড়া সম্পন্ন হয়েছে। প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে জল্লাদ শাহজাহান, রাজু, পল্টুসহ কয়েকজনকে। এখন সরকারের সিদ্ধান্ত পেলেই দণ্ড বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলার নাসির আহমদ জানান, মীর কাসেম আলীকে ৪০নং কনডেম সেলে রাখা হয়েছে। তিনি সুস্থ আছেন। কারাগারের চিকিৎসকরা তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছেন। তাকে স্বাভাবিক খাবার দেয়া হয়েছে।
কবে, কোথায় তার ফাঁসি কার্যকর করা হবে সে বিষয়ে সরকারের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না এলেও কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার -২ এর এই জেলার নাশির আহমেদ আগেই জানিয়েছেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সব প্রস্তুতি তারা নিয়ে রেখেছেন।
নিয়ম অনুযায়ী, দণ্ড কার্যকরের আগে আরও এক দফা পরিবারের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাবেন মীর কাসেম আলী।


