যুদ্ধাপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মীর কাসেম আলীর সঙ্গে শেষ সাক্ষাতের জন্য কাশিমপুর কারাগারে পৌঁছেছেন তার পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা।
শনিবার বেলা সাড়ে ৩টায় ছয়টি মাইক্রোবাসে করে মীর কাসেমের স্ত্রী, মেয়ে, পুত্রবধূসহ অন্য আত্মীয়-স্বজনরা মোট ৪৫ জন কাশিমপুর কারাগারে পৌঁছান।
তবে তাদের মধ্যে কতজনকে শেষ পর্যন্ত কাসেমের সঙ্গে দেখা করার জন্য ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে, তা জানা যায়নি।
সব বিচারিক প্রক্রিয়ার নিষ্পত্তি হওয়ায় কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়াই ছিল জামায়াতের অর্থ যোগানদাতা হিসেবে পরিচিত মীর কাসেমের প্রাণ বাঁচানোর শেষ সুযোগ।
তিনি সেই সুযোগ নেবেন না বলে শুক্রবার জানিয়ে দিলে কারা কর্তৃপক্ষ তার পরিবারকে শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় সাক্ষাতের সময় দেয়।
এরপর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার মনিপুরের বাসা থেকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারের উদ্দেশে রওনা হন কাসেমের স্বজনরা।
এর আগে যুদ্ধাপরাধে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কাদের মোল্লা ও মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসি কার্যকর করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।


