ঢাকার গুলশানের এক ভবনে একটি ইলেকট্রনিক পণ্যে এলজির শো রুমে কয়েকজন তরুণের জোর করে ঢুকে পড়ার খবরে ভবনটি ঘিরে রেখেছে পুলিশ। এই খবরে ওই ভবনে অভিযান চালায় পুলিশ।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার সাহাবুদ্দিন কোরায়েশি সাংবাদিকদের জানান, ভবনটির ভেতর থেকে কাউকে আটক করা যায়নি। যারা প্রবেশ করেছিল, তারা হয়তো বা ভবনের পেছনের গ্রিল কেটে বেরিয়ে গেছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত এস আই সজীব রাহমান বলেন, গুলশান-১ নম্বরে এলজির শো রুমের চারপাশে অবস্থান নিয়ে আছেন তারা। তবে পরিস্থিতি তাদের কাছেও ‘স্পষ্ট নয়’।
পুলিশের সাঁজোয়া যানের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের গাড়িও এনে রাখা হয়েছে ওই সড়কে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় সকাল সাড়ে ৯টার পর। পাশেই মোবাইল অপারেটর রবির কার্যালয় থেকে একজন জানান, কয়েকজন লোক জোর করে এনসিসি ব্যাংকের শাখায় ঢুকে পড়েছে।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে গুলশান থানার পরিদর্শক সালাউদ্দিন বলেন, এনসিসি ব্যাংক নয়, ঘটনাটি ঘটেছে ওই ভবনেই এলজি শো রুমে।
“তিন-চারজন যুবক দারোয়ানকে হুমকি ধামকি দিয়ে ভেতরে ঢুকে গেছে। তারা বয়সে তরুণ, কাঁধে ব্যাগ আছে। পুলিশ ভবনটি ঘিরে ফেলেছে। আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।”
এদিকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ওই এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশের উপস্থিতি এবং কয়েকজন তরুণের জোর করে ঢুকে পড়ার খবরে খানিকটা আতঙ্কও তৈরি হয়েছে আশপাশের বিভিন্ন ভবনের অফিস ও দোকানকর্মীদের মধ্যে।
গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার মত কোনো পরিস্থিতির তৈরি হচ্ছে কি না, সেই শঙ্কাও জেগেছে অনেকের মনে।
গুলশান-১ এর উদয় টাওয়ারে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী সনু শর্মা বলেন, কয়েকটি টেলিভিশনে উদয় টাওয়ারের কথা বলা হলেও আসলে ঘটনাটি ঘটেছে রবি কার্যালয়ের পাশে ব্যাংক অব সিলোনের ভবনে।
“রাস্তা আটকায়নি। তবে মানুষ ভিড় করে আছে। ঠিক কী ঘটেছে বোঝা যাচ্ছে না।”
কাছেই হুয়াওয়ে কার্যালয় থেকে একজন কর্মকর্তা বলেন, “আমরা কিছু বুঝতে পারছি না। প্রচুর পুলিশ এসেছে। আতঙ্ক তো একটু আছেই।”


