বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

চালের দাম আরও বাড়ল: এবার বস্তায় ৩০০ টাকা

চালের দাম আরও বাড়ল এবার বস্তায় ৩০০ টাকাবাজারে আরেক দফা বেড়েছে চালের দাম। দুই মাসের ব্যবধানে কয়েক দফায় বিভিন্ন জাতের চালের বস্তায় বেড়েছে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা । কেজিতে  বেড়েছে ৩ থেকে ৬ টাকা পর্যন্ত।

রাজধানীর বাদামতলীর পাইকারী চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, মিনিকেট প্রতি ৫০ কেজি বস্তা ২১০০ টাকা যা কয়েকদিন আগেও বিক্রি হয়েছে ১৯০০ টাকায়। পাইজাম বিক্রি হচ্ছে ১৭৫০ টাকা যার পূর্বের মূল্য ছিল ১৫০০ টাকা । নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ২৩০০ টাকায় যা ২৫০০ টাকায় পূর্বে বিক্রি হোত। এছাড়াও লতা, জিরা, ঘুটি, স্বর্ণা, আঠাইশ, উনত্রিশ ও হাসকি চালের প্রতি বস্তায় দাম বেড়েছে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা।

বাদামতলীর চাল ব্যবসায়ী চাঁন তারা রাইস এজেন্সির কর্মকর্তা মহসিন জানান, চিকন চালের তুলনায় মোটা চালের দাম বেড়েছে বেশী। চিকন চাল ১ থেকে দেড়শ টাকা বাড়লেও মোটা চাল বেড়েছে তার দ্বিগুণ।

রাজধানীর কয়েকটি খুচরা বাজার ও এলাকার স্থানীয় দোকান যাচাই করে দেখা যায়, প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮-৫০ টাকায়, পাইজাম ৩৬-৩৮ টাকায়, নাজির শাইল ৫০-৫২, স্বর্ণা-৩৬-৩৭, জিরা ৪০-৪২ হবি আটাইশ ৩৬-৩৭ । প্রায় সব জাতের চালেই প্রতি  কেজিতে দাম  বেড়েছে ৩-৬ টাকা। তবে, সুগন্ধী চাল বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। বিক্রেতারা বলছেন, ব্যবসায়ী ও মিল মালিকদের কাছ  থেকে  বেশী দামে চাল কিনতে হচ্ছে তাদের।

দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে, যশোরের শাহজাহান রাইস মিলেন মালিক রুহুল আমিন জানান, ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় চালের দাম বাড়ছে। বাজারে ধানের সংকট চলছে বলেও তিনি জানান।

কুষ্টিয়ার রাইস মিল ফ্রেশ এগ্রো ফুড প্রোডাক্টের মালিক ওমর ফারুক জানান, বর্ষায় নতুন ধান নষ্ট হওয়ার কারণে চালের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে নতুন ধান না আসা পর্যন্ত এর মূল্য আরো কয়েক দফা বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি জানান।

বাজারে চাল কিনতে আসা তাসলিমা আলম মলি নামে এক নারী ক্রেতা জানান, স্বল্প আয়ের মানুষেরাই মোটা চালের গ্রাহক অথচ মোটা চালেরই দাম বেড়েছে বেশী। চালের বাজারের এই উর্দ্ধগতি ভোগান্তি বাড়িয়েছে তাদের দৈনন্দিন জীবনে। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ চান তিনি।

আরও পড়ুন