আর সপ্তাহ তিনেক পরেই বাংলাদেশ সফরে আসছে ইংল্যান্ড। এর আগে দল ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতা সেরে ফেলতে হবে। তাই সফরের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের সময়সীমাই বেঁধে দিচ্ছে ইংলিশ ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। ইসিবির ক্রিকেট পরিচালক অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস গতকাল বুধবার বলেছেন, ক্রিকেটাররা বাংলাদেশে যাবেন কি না, এ ব্যাপারে তাঁদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে তিন দিনের মধ্যেই।
বাংলাদেশ সফরে না গেলে দলে জায়গা হারানোর ঝুঁকিটা থেকেই যাচ্ছে। স্ট্রাউস পরিষ্কার ভাষায় বলে দিয়েছেন, ‘কোনো খেলোয়াড়ের দল থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার সুযোগে অন্য কেউ যদি ভালো করে ফেলে, তাহলে তো জায়গা হারানোর ঝুঁকি থাকেই।’
৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর বোর্ডের সঙ্গে চুক্তিভুক্ত খেলোয়াড়দের নিয়ে লাফবরোর জাতীয় ক্রিকেট একাডেমিতে বৈঠকে বসবেন স্ট্রাউস। সেখানে বাংলাদেশ সফরের ব্যাপারে খেলোয়াড়দের কাছ থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই জানতে চাইবেন। ১৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সফরের জন্য ইংল্যান্ডের ওয়ানডে দল ঘোষণা করার কথা।
গতকাল ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে পাকিস্তানের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সময় সংবাদমাধ্যমকে স্ট্রাউস বলেন, ‘বাংলাদেশ সফরে আমি ইংল্যান্ডের টেস্ট ও ওয়ানডে দুই অধিনায়ককেই চাই।’
বাংলাদেশ সফরের ব্যাপারে ইসিবি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই টেস্ট অধিনায়ক অ্যালিস্টার কুক সফরের ব্যাপারে নিজের ইতিবাচক মনোভাবের কথা বলেছিলেন।
সীমিত ওভারের অধিনায়ক এউইন মরগান অবশ্য সফরের ব্যাপারে প্রথম থেকেই নেতিবাচক। তিনি এখনো পর্যন্ত সফর নিয়ে নিজের সিদ্ধান্তটা ঝুলিয়েই রেখেছেন। বাংলাদেশ সফরের ব্যাপারে এখনো পর্যন্ত কুক ছাড়াও জনি বেয়ারস্টো, মঈন আলী, ক্রিস জর্ডান নিজেদের ইতিবাচক মনোভাবের কথা জানিয়ে দিয়েছেন।
স্ট্রাউস আবারও আশ্বস্ত করেছেন, ‘বাংলাদেশ সফর সম্পূর্ণ নিরাপদ। তারপরও আমি বাংলাদেশ সফরের ব্যাপারে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ রেগ ডিকাসনের প্রতিবেদনটা বিশদভাবে পর্যালোচনা করেই খেলোয়াড়দের সিদ্ধান্ত নিতে বলব। ডিকাসন যদি কোনো সফরকে নিরাপদ বলে, তাহলে সেই সফর নিরাপদ। সে নিরাপদ না বললে তা অবশ্যই নিরাপদ নয়।’
সফরের ব্যাপারে যে কোনো জোরাজুরি নেই, স্ট্রাউস জানিয়ে দিয়েছেন সেটাও, ‘আমরা অবশ্যই কাউকে চাপ দিচ্ছি না। আমরা বলছি না যে “তোমাদেরকে বাংলাদেশে যেতেই হবে।” খেলোয়াড়দের সফরের ভালো ও খারাপ দিক নিজেদেরই ভেবে দেখতে হবে।’ সূত্র: এএফপি।


