বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

পাটুরিয়ায় ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি চরমে

পাটুরিয়ায় ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি চরমেফেরি স্বল্পতা, নদীতে তীব্র স্রোত ও দুটি ঘাট বন্ধ থাকায় মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া থেকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া পর্যন্ত নৌপথে যানবাহন পারাপারে অচলাবস্থা এখনো কাটেনি। এমন বাস্তবতায় পাটুরিয়া ফেরিঘাটে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে পারাপারের অপেক্ষায় থাকা যাত্রীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে ফেরি পার হচ্ছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রীবাহী বাসসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন।

আজ শনিবার সকালেও পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় ফেরি পারের অপেক্ষায় ছিল প্রায় দেড়শ বাস, ২০০ ট্রাক ও ২৫০টি ছোট যানবাহন। এসব যানবাহনের শ্রমিক ও যাত্রীরা নানাভাবে দুর্ভোগে পড়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (এজিএম-বাণিজ্য) জিল্লুর রহমান জানান, এই নৌপথে ছোট-বড় ১৫টি ফেরি চলাচল করছে। নদীতে স্রোত বেশি থাকায় পাটুরিয়া থেকে যানবাহনবোঝাই করে দৌলতদিয়া ঘাটে পৌঁছাতে দ্বিগুণ সময় লাগছে। এ ছাড়া ঈদে বাড়তি যানবাহন ফেরি পারের জন্য আসায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) শফিকুর রহমান জানান, দৌলতদিয়ার চারটি ঘাটের মধ্যে ১ ও ৪ নম্বর ঘাট সচল রয়েছে। ২ নম্বর ঘাটে তীব্র  স্রোত থাকায় ফেরি ভিড়তে পারছে না। ৩ নম্বর ঘাটের র‌্যাম্প পানিতে উঠা-নামা করায় বন্ধ রয়েছে। এ কারণে কার্যত বন্ধ রয়েছে ২ ও ৩ নম্বর ঘাট। দৌলতদিয়া ঘাটে বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের ৪০০ যানবাহন ফেরি পারের অপেক্ষায় আছে। তবে পশুবাহী ট্রাক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফেরিতে পারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

পাটুরিয়া ফেরিঘাটে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ঘাটে যানবাহনের চাপ থাকলেও কোনো যানজট নেই। বাস, ট্রাক ও ছোট যানবাহন অস্থায়ী ডিভাইডার দিয়ে নির্দিষ্ট লেনে রাখা হয়েছে। এ কারণে কোনো যানবাহন আগে যেতে লেন ভাঙতে পারছে না।

আরও পড়ুন