সাম্প্রতিক জঙ্গি কর্মকাণ্ডের তদন্তে আরও তিনজনের নাম পেয়েছেন তদন্তকারীরা, যাদের মধ্যে ‘রাজীব গান্ধী’ ছদ্মনামের একজন গুলশান ও শোলাকিয়া হামলার ঘটনায় ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ভূমিকা রেখেছিলেন বলে দাবি পুলিশের।
পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেছেন, রাজীব গান্ধী ওরফে সুভাষ গান্ধী ওরফে গান্ধী নামে জঙ্গি কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ওই ব্যক্তি কাজ করছিলেন নিষিদ্ধ জঙ্গি দল জেএমবির ‘উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ডার’ হিসেবে।
“তার প্রকৃত নাম আমরা জানতে পারিনি। গুলশানের ঘটনার আগে দুজন এবং শোলাকিয়ার ঘটনার আগে একজন একজন টেরোরিস্টকে সে নিজে উত্তরবঙ্গ থেকে পাঠিয়েছিল, যাদের সে আগেই প্রশিক্ষণ দিয়েছিল।”
সোমবার ঢাকা মহানগর পুলিশের কার্যালয়ে পুলিশের জঙ্গি দমন অভিযানের অগ্রগতির তথ্য সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, রিপন ও খালিদ নামে এই দলের নেতৃস্থানীয় আরও দুই জনের তথ্য তারা পেয়েছেন, যারা গত এপ্রিলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যাকাণ্ডের পর ভারতে চলে যান।
“রিপন ও খালিদ ইন্ডিয়াতে আছে বলে আমরা খবর পেয়েছিলাম।… এরপর তারা দেশে ফিরেছে এমন কোনো তথ্য আমাদের কাছে নাই।”
এক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল বলেন, জেএমবি নেতা ‘রাজীব গান্ধী’ দেশেই আছেন বলে তদন্তকারীদের ধারণা।
“আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আমরা তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।”


