আবার আলোচনায় নির্বাচন। তবে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল-আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শীর্ষ দুই নেতা মনে করছেন, সেই নির্বাচন মধ্যবর্তী সময়ে হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
গত জাতীয় নির্বাচন বর্জনকারী দল, বিএনপি ও সিপিবির নীতি নির্ধারকরা বলছেন, ২০১৪ সালের মতো ফের ভোট হলে, আরো বাজে অবস্থায় যাবে গণতন্ত্র। সমঝোতার মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য পরিবেশ সৃষ্টির উদ্যোগ নেয়ার দাবী জানিয়েছেন তারা।
সবশেষ জাতীয় নির্বাচনের পর, সময় গড়িয়েছে আড়াই বছরেরও বেশি। এরিমধ্যে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের বাইরের দলগুলো আগাম নির্বাচনের জন্যই প্রায় হাঁক-ডাক করে বক্তব্য বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছে।
বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা তাদের ভাষায় সংকট সমাধানের দাবি করলেও নিজেরাই মনে করছেন, আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনা নেই।
গত জাতীয় নির্বাচন বর্জন এবং ঠেকানোর জন্য টানা আন্দোলনেও ছিল বিএনপি। আগাম নির্বাচনের বিষয়েও, সবচেয়ে বেশি সরব তারা। তবে সরকারি দলের নেতা মাহবুবউল আলম হানিফ মনে করেন, সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ইস্যু না পেয়েই আগাম নির্বাচন চাইছে বিএনপি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর বলেন, সরকার চাইলেও নির্বাচন দিতে পারবে না। কারন তাদের ক্ষমতা নেই। তারাতো বাইরের শক্তি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে।
গত জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো প্রার্থী না থাকায় দেড়শোর বেশি আসনে ভোটেরই দরকার পড়েনি। তাই পরবর্তী নির্বাচনের আগে যাতে এমন পরিস্থিতি আবার তৈরি না হয় এমনটাই চান বিরোধী দলের নেতারা।
ইতোমধ্যে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে আবারও সরগরম হয়ে উঠতে যাচ্ছে রাজনীতির মাঠ। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিদায় নেবে রকীবউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন।


