সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন বন্দরে আটকা পড়েছে বাংলাদেশী আমদানিকারকদের পণ্যভর্তি আড়াই হাজারের বেশি কন্টেইনার।
দক্ষিণ কোরিয়া ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানজিন শিপিং লাইন দেউলিয়া হয়ে যাওয়ায় এসব কন্টেইনার পরিবহনে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা। এখন কিভাবে এসব কন্টেইনার আনা হবে তার নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। এর বাইরে অবশ্য রপ্তানি পণ্যবাহী ৩৯টি কন্টেইনার নিয়ে অচলাবস্থা সৃষ্টি হলেও তা আপাতত দূর হয়েছে।
চট্টগ্রাম থেকে গেল ৩১ আগস্ট যাত্রা করে শ্রীলংকার কলম্বো বন্দরে পৌঁছে ওইএল মালেশিয়া নামের একটি জাহাজ। ৪ সেপ্টেম্বর সেখানে পৌঁছার পর জাহাজটি থেকে অন্য কন্টেইনারগুলো খালাস করা হলেও নামানো হয়নি কয়েকদিন আগেই দেউলিয়া ঘোষিত হওয়া হ্যানজিন শিপিংয়ের ৩৯টি। পরে সেগুলো নিয়ে ১১ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম ফেরত আসে একই জাহাজ।
চট্টগ্রাম পৌঁছার পর এসব কন্টেইনার পুনঃরফতানি নিয়ে দেখা দেয় নতুন জটিলতা। অনিশ্চয়তায় পড়ে প্রায় ৫০টি প্রতিষ্ঠানের ৪০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের তৈরী পোশাক। অবশেষে নানামুখী চেষ্টায় বৃহস্পতিবার ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কন্টেইনারে পণ্য ভর্তি প্রক্রিয়া শুরুর মধ্য দিয়ে দূর হয় বিপর্যয়ের আশংকা।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র আর জার্মানগামী এই রফতানিমুখী কন্টেইনারগুলোর গতি হলেও সিঙাপুর বন্দরে আড়াই হাজারসহ বিভিন্ন বন্দরে আটকে পড়ে আছে আমদানি পণ্যবাহী বিপুল সংখ্যক কন্টেইনার। এখন কিভাবে এসব কন্টেইনার বাংলাদেশে আনা হবে এখনো কাটেনি সে অনিশ্চয়তা।
এখন হ্যানজিন আর সংশ্লিষ্ট বন্দরগুলোর দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগই বিরাজমান সংকট নিরসন করতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।


