কমিউনিস্ট আন্দোলন থেকে আওয়ামী লীগে এসে দলটির সভাপতিমণ্ডলীতে স্থান পাওয়াকে রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি বলে মনে করছেন নুরুল ইসলাম নাহিদ।
আওয়ামী লীগের ২০তম কাউন্সিলে রোববার নতুন সভাপতিমণ্ডলী গঠিত হয়, যাতে স্থান পান শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ। তিনি আগের কমিটিতে শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারণী ফোরামে স্থান পাওয়ার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে নাহিদ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, “একজন সাধারণ কর্মীর জন্য এর চেয়ে বড় প্রপ্তি আর কিছু হতে পারে না। সেই অর্থে আমার রাজনৈতিক কর্মজীবনের জন্য এটা বড় সার্থকতা।”
ছাত্র ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে আসা নাহিদ সংগঠনটির সভাপতি ছিলেন। পরে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমল্ডলীতে নাহিদ অন্তর্ভুক্ত হলেও বাদ পড়েছেন তার মতোই সাবেক কমিউনিস্ট নেতা নূহ-উল আলম লেনিন।
নাহিদ বলেন, “আমি একজন সাধারণ কর্মী। আমার জন্য বিরাট প্রাপ্তি যে এই পর্যায়ে পৌঁছাতে পেরেছি। আমি মনে করি এটা শুধু আমার গুণের জন্যই নয়, দল, কর্মী, সমর্থক, ডেলিগেইট…
“বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার উপর যে আস্থা অর্জন করে দায়িত্ব দিয়েছেন, সেদিক থেকে আমি সত্যিই একে বড় ভার বলেই মনে করি। আমি আমার সমস্ত চেষ্টা দিয়ে চেষ্টা করব যেন দায়িত্ব পালন করতে পারি।”
সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ আরও শক্তিশালী হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন নাহিদ। নতুন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন তিনি।
১৯৪৫ সালে ৫ জুলাই সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার কসবা গ্রামে জন্ম নেওয়া নাহিদ মুক্তিযুদ্ধের সময় বামপন্থিদের গেরিলা দল গঠনে ভূমিকা রাখেন।
১৯৯৩ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ১৯৯৬, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।


