পুলিশের ৯৯ পরিদর্শককে বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আদালত। পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া এই কর্মকর্তাদের বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তার পদে নিয়োগ কেন অবৈধ ও কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দেওয়া হয়েছে।
এই পদোন্নতি থেকে বাদ পড়া এক পরিদর্শকের রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ’র বেঞ্চ এই রুল জারি করে।
রাঙামাটির জুরাছড়ি থানার ওসি মো. ইউসুফ সিদ্দিকী গত ২৫ অাগস্ট এই রিট আবেদনটি দায়ের করেন।
পদোন্নতিপ্রাপ্তদের তালিকায় ইউসুফকে বাদ দেওয়াকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তাও জানাতে বলেছে আদালত।
স্বরাষ্ট্র সচিব, উপ-সচিব (পুলিশ অ্যাফেয়ার্স-১), পুলিশের মহাপরিদর্শক, অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (স্ট্যাবলিশমেন্ট), উপ-মহাপরিদর্শক (প্রশাসন), উপ-মহাপরিদর্শক (চট্টগ্রাম), উপ-মহাপরিদর্শক (টেলিকম), সহকারী মহা-পরিদর্শককে (স্ট্যাবলিশমেন্ট) ২ সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (প্রশাসন) এর স্বাক্ষরে গত ১৬ জুলাই ৯৯ জন পরিদর্শককে ‘বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারে’ সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়।
নিজের নাম না দেখে ওই আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতে যান পরিদর্শক ইউসুফ সিদ্দিকী।
তার আইনজীবী এ বি এম আলতাফ হোসেন বলেন, “একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় বিসিএস ক্যাডার হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সেই প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে না আসলে কাউকে সরকারি আদেশে বিসিএস ক্যাডার হিসাবে নিয়োগ দেওয়া যায় না।”
এক প্রশ্নের উত্তরে সাবেক এই বিচারপতি বলেন, “সরকারি আদেশে তাদেরকে (৯৯ পরিদর্শককে) এএসপি হিসাবে নিয়োগ দেওয়া যেত। কিন্তু বিসিএস পুলিশ নয়।”
পদোন্নতির তালিকায় ‘ফিটলিস্টে’ এগিয়ে থাকার পরও ইউসুফকে পদোন্নতি দেওয়া হয়নি বলে আলতাফ হোসেনের দাবি।
“তার পরের অনেককেও পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাকে দেওয়া হয়নি। এ বিষয়টিও আমরা চ্যালেঞ্জ করে রুল পেয়েছি।”


