ভুয়া কাগজ দেখিয়ে ঋণ নেওয়া ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় হলমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলামকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদ বুধবার তাকে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।
এর আগে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। অপরদিকে তার আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউশন কর্মকর্তা সাহিদুর রহমান এবং আসামিপক্ষে এহসানুল হক সমাজী শুনানিতে অংশ নেন।
গত মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর বংশালে অভিযান চালিয়ে জেসমিন ইসলামকে গ্রেপ্তার করে দুদক।
মামলার নথিপত্র থেকে জানা যায়, হলমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম জনতা ব্যাংক ভবন কর্পোরেট শাখা থেকে ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে ৮৫ কোটি টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে মতিঝিল থানায় একটি মামলা করা হয়। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে ২০১৩ সালের ৭ অক্টোবর হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদ, তার স্ত্রী ও গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলামসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে ১১ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় দুদক।
২০১০ থেকে ২০১২ সালের মার্চ পর্যন্ত সময়ে সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখা থেকে অনিয়মের মাধ্যমে হলমার্ক গ্রুপের আড়াই হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার ঘটনা প্রকাশ পেলে ব্যাপক শোরগোল ওঠে।
ওই অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১২ সালের অাগস্টে আর্থিক খাতে বড় এই কেলেঙ্কারির ঘটনার অনুসন্ধান ও তদন্ত শুরু করে দুদক। প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে ওই বছর ৪ অক্টোবরে মোট ১১টি মামলা করা হয়।
হলমার্কের এসব মামলায় জেসমিন জামিনে রয়েছেন বলে জানান তার আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী।


