শনিবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বিশেষ নিউজ

হুমায়ূন আহমেদের ‘স্বপ্নের স্কুল’ ছাড়ছেন শিক্ষকরা


NEWSWORLDBD.COM - November 13, 2016

হুমায়ূন আহমেদের স্বপ্নের স্কুল ছাড়ছেন শিক্ষকরাসরকারের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের আশ্বাসের পরও এমপিওভুক্ত হয়নি প্রয়াত কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদের স্বপ্নের স্কুল ‘শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ’।

এজন্য স্কুল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন মেধাবী শিক্ষকরা। এতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্কুলটির শিক্ষার মান ধরে রাখা ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কর্তৃপক্ষ।

এ বছর এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ৫৭ জন সবাই পাস করেন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পান ১২ জন শিক্ষার্থী।

গত বছর জেএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল ৬২জন। এর মধ্যে সবাই পাস করেন। এ ছাড়া জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৩৫ জন।

কিন্তু প্রতিষ্ঠার পর প্রায় দুই দশক পেরিয়ে গেলেও লেখকের ওই স্বপ্নের স্কুলটি আজও  এমপিওভুক্ত হয়নি।

রোববার হুমায়ূন আহমেদের ৬৮তম জন্মদিন উপলক্ষে লেখকের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠকে অবিলম্বে এমপিওভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক, লেখকের পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী।

জানা গেছে, এলাকার ছেলেমেয়েদের শিক্ষার কথা ভেবে হুমায়ূন আহমেদ গ্রামেরবাড়ি কুতুবপুরে ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ‘শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ’। সম্পূর্ণ ব্যক্তি উদ্যোগে প্রায় সাড়ে তিন একর জমির ওপর গড়ে তোলা হয়েছে এ স্কুল।

একাত্তরের সব শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে স্কুলটির নাম রেখেছিলেন ‘শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ’। একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০০৬ সালে।

আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর এই বিদ্যাপীঠে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনার সুযোগ আছে। বিদ্যাপীঠে বর্তমানে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৩২৮ জন। শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন ১৮ জন।

হুমায়ূন আহমেদের জীবদ্দশায় বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় তিনি নিজেই এর সম্পূর্ণ খরচ চালাতেন। তার মৃত্যুর পর সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত করার আশ্বাস দেয়া হয়। কিন্তু এমপিওভুক্ত না হওয়ায় অনেক শিক্ষক বিদ্যালয় ছেড়ে চলে গেছেন।

বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান জানান, বিদ্যালয়টি এখনও এমপিওভুক্ত না হওয়ায় এ পর্যন্ত ২৭ জন শিক্ষক স্কুল ছেড়ে চলে গেছেন। এছাড়া আরও কয়েকজন মেধাবী শিক্ষক স্কুল ছেড়ে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছেন। এ অবস্থায় বিদ্যালয়টির শিক্ষার মান ধরে রাখা ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’

হুমায়ূন আহমেদের চাচা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আলতাফুর রহমান আহমেদ (৮০) জানান, ‘হুমায়ূনের স্বপ্নের স্কুলটি এখনও এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষক-কর্মচারীরা হতাশায় ভুগছেন। পরিবারের সদস্য হিসেবে আমরাও চাই স্কুলটি দ্রুত এমপিওভূক্ত হোক। আর তা যেন আমি জীবদ্দশায় দেখে যেতে পারি।’

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এসএম ইকবাল রুমী জানান, এলাকার ছেলেমেয়েদের কথা ভেবে প্রতিষ্ঠা করা হুমায়ূন আহমেদের এ স্কুলটির পড়াশোনার মানও খুব ভালো।

যে কোনো সংবাদ জানতে আমাদের ফেসবুক পেজ 'লাইক' করতে পারেন (এই লাইনের নিচে দেখুন)...






-

Editor & Publisher: M. Arman Hossain

NEWSWORLDBD.COM
email: [email protected]
Phone: +8801787506342

©Titir Media Ltd.
News & Editorial: 39 Mymensingh Lane, Banglamotor
Dhaka-1205, Bangladesh.