বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

মুক্তিযোদ্ধার তালিকা যাচাই-বাছাই জানুয়ারি থেকে

মুক্তিযোদ্ধার তালিকা যাচাই-বাছাই জানুয়ারি থেকেআগামী বছরের জানুয়ারি মাসে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাই শুরু হবে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, জানুয়ারির মাসের প্রতি শনিবারে যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলবে। বেশিরভাগ পত্রিকায় এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি যাবে।

জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বৃহস্পতিবার জাতীয় পার্টির এমপি নুরুল ইসলাম মিলনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা জানান।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিকাল ৪টায় সংসদ অধিবেশন শুরু হয়।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, জানুয়ারি মাসের ৭, ১৪, ২১, ২৮ প্রতি শনিবার ও ফেব্রুয়ারির ৪ শনিবার মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলবে। ভারতীয় তালিকাভুক্ত ও ২০০১ সালে লাল মুক্তিবার্তায় যাদের নাম আছে তারা বাদে যারা মুক্তিযোদ্ধা সনদের জন্য আবেদন করেছেন তাদের তালিকা যাচাই-বাছাই করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, ৫৫ হাজার গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে। এছাড়া অনলাইনে প্রায় লক্ষাধিক আবেদন করেছে। এদের তালিকা যাচাই-বাছাই করা হবে। যাচাই-বাছাই হবে স্ব-স্ব উপজেলায়।

তিনি বলেন, যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি হবেন এমপি যদি তিনি মুক্তিযোদ্ধা হন, না হলে মুক্তিযুদ্ধকালীন জেলা কমান্ডার। যাকে মন্ত্রণালয় নিয়োগ দেবে। এছাড়া জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকার) বিভাগীয় সদস্য, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের প্রতিনিধি, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সদস্য, এমপির একজন মনোনিত প্রতিনিধি। মোট ৬ জন যাচাই-বাছাই কমিটিতে থাকবেন। তাদের সাচিবিক সহায়তা করবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। এসময় উপস্থিত থাকবেন লালমুক্তি বার্তার তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধারা ও ভারতীয় তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধারা।

মন্ত্রী আরও বলেন, যাচাই-বাছাই কমিটিতে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে অভিযোগ করতে হবে। কেউ অভিযুক্ত হলে তাকে একটা ফরম পূরণ করতে হবে। এই ফরমে তথ্য দিতে হবে সে কোথায় মুক্তিযুদ্ধ করেছে, তার কমান্ডার কে ছিল, কী অস্ত্র ব্যবহার করেছিল। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছে কি না? আর মুক্তিযোদ্ধা হতে হলে আমরা একটা বয়স নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা হলে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ ন্যূনতম ১৩ বছর বয়স হতে হবে।

এদিকে জাতীয় পার্টির অপর সদস্য ফখরুল ইমামের অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, টাকা নিয়ে বসে আছি। জায়গার অভাবে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স বানাতে পারছি না। আমাদের টাকার কোন অভাব নেই। সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে তালিকা আসলে আমরা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স করে দিব।

আরও পড়ুন