বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে রেহাই গাইবান্ধার ডিসির, এবার এসপিকে তলব

নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে রেহাই গাইবান্ধার ডিসির, এবার এসপিকে তলব‘বাঙালি’ শব্দের আগে ‘দুষ্কৃতকারী’ শব্দ ব্যবহারে বিষয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে রেহাই পেলেন গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবদুস সামাদ। তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের শব্দ ব্যবহারে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এদিকে, একই শব্দ ব্যবহার করায় এবার গাইবান্ধার স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) পুলিশ সুপারকে (এসপি) তলব করেছে হাইকোর্ট। তাকে স্বশরীরে হাজির হয়ে আগামী ২ জানুয়ারি ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

সোমবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। একইসঙ্গে সাঁওতালদের ঘটনায় জারি করা রুলের বিষয়ে ১৪ ডিসেম্বর আদেশের দিন ধার্য করেন আদালত।

এদিন, গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ হাইকোর্টে উপস্থিত হয়ে আদালতকে বলেন, গাইবান্ধা পুলিশের বিশেষ শাখার সুপার যে প্রতিবেদন দিয়েছিলেন, তাতে ‘বাঙ্গালী দুষ্কৃতিকারী’ শব্দটি ছিল, যা তদন্ত কমিটি গঠনের চিঠিতেও ‘অসাবধানতাবশত’ চলে আসে। এ কারণে আদালতের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন জেলা প্রশাসক। এরই আলোকে আদালত ডিসিকে অব্যাহতি দিয়ে স্পেশাল ব্রাঞ্চের এসপিকে তলব করেন।

প্রসঙ্গত, গাইবান্ধার গোবিন্দপুরে সাঁওতালদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে দাখিল করা এক প্রতিবেদনে বাঙালি শব্দের আগে ‘দুষ্কৃতিকারী’ ব্যবহার করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে চিনিকল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সাঁওতালদের সংঘর্ষের ঘটনায় জারি করা এক রুলের শুনানিকালে গত ৬ ডিসেম্বর গাইবান্ধার ডিসিকে তলব করেন হাইকোর্ট।

আরও পড়ুন